সদ্য সমাপ্ত পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনে ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি) ২৯৪টির মধ্যে ২০৭টি আসনে জয় পেয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন তৃণমূল কংগ্রেসের প্রায় দেড় দশকের শাসনের অবসান ঘটিয়েছে। নবনির্বাচিত মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর নেতৃত্বে বিজেপির এই উত্থান পূর্ব ভারতের রাজনৈতিক মানচিত্রে এক নতুন আদর্শিক পরিবর্তনের সূচনা করেছে। দীর্ঘমেয়াদি সংগঠন, ভোটার তালিকা সংশোধন এবং নাগরিকত্ব ও নিরাপত্তা ইস্যুতে কৌশলগত প্রচারণা এই ফলাফলে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। এর ফলে পশ্চিমবঙ্গের মুসলিম সমাজ ও সীমান্ত রাজনীতিতে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে।
প্রতিবেদনটি উল্লেখ করে, বিজেপি-শাসিত পশ্চিমবঙ্গ সীমান্ত ব্যবস্থাপনা, নাগরিকত্ব যাচাই ও সাম্প্রদায়িক উত্তেজনার ক্ষেত্রে নতুন বাস্তবতা তৈরি করতে পারে, যা বাংলাদেশের জন্য সরাসরি প্রভাব ফেলবে। ২,২১৬ কিলোমিটার দীর্ঘ সীমান্তে ‘অনুপ্রবেশকারী’ বয়ান প্রশাসনিক নীতিতে রূপ নিলে পুশ ইন ঘটনার আশঙ্কা বাড়বে। এতে মানবিক ও কূটনৈতিক সংকটের ঝুঁকি তৈরি হতে পারে।
বাংলাদেশের জন্য প্রস্তাব করা হয়েছে সমন্বিত জাতীয় নিরাপত্তা কাউন্সিল গঠন, সীমান্ত গোয়েন্দা সক্ষমতা জোরদার এবং দিল্লি ও কলকাতার সঙ্গে স্পষ্ট কূটনৈতিক অবস্থান বজায় রাখা, যাতে সীমান্ত ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় কার্যকর প্রস্তুতি নেওয়া যায়।