প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বিশ্বনেতাদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন, তারা যেন জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে বিপন্ন লাখো মানুষের জীবন রক্ষায় তাদের প্রতিশ্রুতিগুলো বাস্তবে রূপ দেন। মঙ্গলবার চীনের দালিয়ানে ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামের ১৭তম ‘অ্যানুয়াল মিটিং অব দ্য নিউ চ্যাম্পিয়ন্স’-এ উদ্বোধনী বক্তব্যে তিনি বলেন, এখন সময় এসেছে প্রতিশ্রুতিকে কাজে পরিণত করার। তিনি আশা প্রকাশ করেন, কপ-৩১ এই চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করবে এবং বাংলাদেশ তার ভূমিকা পালনে প্রস্তুত।
তিনি বলেন, জলবায়ু কার্যক্রম কোনো ব্যয় নয়, বরং এটি সমৃদ্ধি ও স্থিতিশীলতার বিনিয়োগ। কপ-৩১ ও কপ-৩২ সামনে রেখে তিনি তিনটি অগ্রাধিকার তুলে ধরেন—ক্ষয়ক্ষতি তহবিল বাস্তবায়ন, ঝুঁকিপূর্ণ দেশগুলোর জন্য সহজলভ্য জলবায়ু অর্থায়ন, এবং প্রশমনের পাশাপাশি অভিযোজন নিশ্চিত করা। তিনি বাংলাদেশের উদ্যোগ হিসেবে ২০ হাজার কিলোমিটার নদী ও খাল খনন, পদ্মা ব্যারেজ নির্মাণ, তিস্তা ব্যারেজ আধুনিকীকরণ, ২৫ কোটি গাছ রোপণ এবং ২০৩০ সালের মধ্যে নবায়নযোগ্য উৎস থেকে ২০ শতাংশ বিদ্যুৎ উৎপাদনের পরিকল্পনার কথা উল্লেখ করেন।
প্রধানমন্ত্রী পুনর্ব্যক্ত করেন, বাংলাদেশ একটি জলবায়ু-সহনশীল জাতি গঠনে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ এবং বিশ্বনেতাদের আহ্বান জানান, তারা যেন মতপার্থক্য দূরে রেখে ইউএনএফসিসিসি ও প্যারিস চুক্তির লক্ষ্য পূরণে কাজ করেন।