ইসরাইল-যুক্তরাষ্ট্রের যৌথভাবে ইরানে হামলার ছয় দিন পরও প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প কেন যুদ্ধ শুরু করেছিলেন এবং এর লক্ষ্য কী, তা স্পষ্ট নয়। শুরুতে ট্রাম্প প্রশাসন বলেছিল, ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি ধ্বংস করাই উদ্দেশ্য। ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স বলেছিলেন, ইরানকে পারমাণবিক অস্ত্র অর্জন থেকে বিরত রাখা হবে। পরে ট্রাম্প বলেন, শাসনব্যবস্থা পরিবর্তন এবং ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ও প্রক্সি সক্ষমতা ধ্বংস করাই লক্ষ্য।
প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ বলেন, শাসনব্যবস্থা উৎখাত যুক্তরাষ্ট্রের লক্ষ্য নয়, যদিও নেতৃত্বে পরিবর্তন এসেছে। পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও জানান, ইসরাইলের হামলার পর ইরানের পাল্টা আক্রমণ ঠেকাতে যুক্তরাষ্ট্র আগেই হামলা চালায়। তবে যুদ্ধ-পরবর্তী পরিকল্পনার অভাব নিয়ে কংগ্রেসে তীব্র সমালোচনা হয়েছে। রিপাবলিকানরা ট্রাম্পকে সমর্থন করলেও ডেমোক্র্যাটরা সতর্ক করেছেন, যুক্তরাষ্ট্র দীর্ঘমেয়াদি সংঘাতে জড়িয়ে পড়তে পারে।
ডেমোক্র্যাট সদস্য অ্যাডাম স্মিথ ও এলিজাবেথ ওয়ারেন হামলার বৈধতা ও গোয়েন্দা তথ্যের অভাব নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। তারা বলেন, এটি অসাংবিধানিক ও বিপজ্জনক যুদ্ধ এবং এতে কংগ্রেসের অনুমোদন ছিল না।