হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের থার্ড টার্মিনাল পরিচালনা নিয়ে জাপানি কনসোর্টিয়ামের সঙ্গে আলোচনায় সরকার কয়েকটি বিতর্কিত শর্ত অনুমোদন করেছে। বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের আপত্তি সত্ত্বেও এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে শাহজালালের ১০০ কিলোমিটারের মধ্যে আগামী ১৫ বছর কোনো প্রতিযোগী বেসামরিক বিমানবন্দর বাণিজ্যিক কার্যক্রম শুরু না করার শর্তে সম্মত হয়েছে বেবিচক।
অনুমোদিত বিষয়গুলোর মধ্যে রয়েছে রাজস্ব ভাগাভাগি, বাংলাদেশের আইনে পরিবর্তনের প্রভাব, ত্রুটি শনাক্ত ও সংশোধনের দায়কাল এবং বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের গ্রাউন্ড হ্যান্ডলিং কার্যক্রমসংক্রান্ত চুক্তিগত সম্পর্ক। কার্যক্রম শুরুর আট মাস পর বাংলাদেশ প্রাসঙ্গিক রাজস্বের ২৭ শতাংশ পাবে; এর আগে ১৩ দশমিক ৫ শতাংশ পাওয়ার কথা বলা হয়েছে। তবে চূড়ান্ত ভাষা, আর্থিক হিসাব ও বিস্তারিত শর্ত প্রকাশ করা হয়নি।
বেবিচক সূত্রে জানা গেছে, সংশোধিত কনসেশন চুক্তিটি ধারা ধরে পর্যালোচনার জন্য জাপানি পক্ষের কাছে পাঠানো হয়েছে। এরপর আইন মন্ত্রণালয়, অর্থ মন্ত্রণালয় এবং অর্থনৈতিক বিষয়সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির অনুমোদন প্রয়োজন হবে। ১৫ নভেম্বরের মধ্যে চুক্তি সই কঠিন হতে পারে বলে স্বীকার করা হলেও, নভেম্বরের মধ্যেই তা সম্পন্ন হওয়ার আশা প্রকাশ করা হয়েছে।