বর্তমান জ্বালানি ও বিদ্যুৎ সংকটে সাধারণ মানুষ এবং শিল্পকারখানার মালিকদের দুর্ভোগের কথা স্বীকার করে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দল ও সরকারের পক্ষ থেকে দেশবাসীর কাছে দুঃখ প্রকাশ করেছেন। শনিবার রাজধানীর ফার্মগেটে কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন বাংলাদেশ মিলনায়তনে বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর আলোচনা সভায় তিনি বলেন, জ্বালানি সংকট এখন দেশের সবচেয়ে বড় সমস্যাগুলোর একটি। সমস্যা সমাধানে সরকার কর্মপরিকল্পনা গ্রহণ করেছে বলেও জানান তিনি।
তারেক রহমান বলেন, দায়িত্ব নেওয়ার সময় সরকার ভঙ্গুর অর্থনীতি, স্বাস্থ্য, শিক্ষা ও যোগাযোগ ব্যবস্থাসহ বহু সমস্যা পেয়েছে এবং এর মধ্যে একটি যুদ্ধ পরিস্থিতিও সামাল দিতে হয়েছে। তিনি বলেন, মধ্যপ্রাচ্য ও ইউরোপসহ বিশ্বের প্রায় ৬৫টি দেশে জ্বালানির দাম বেড়েছে। সরকার দীর্ঘদিন দাম না বাড়িয়ে পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার চেষ্টা করলেও শেষ পর্যন্ত কিছুটা মূল্য বাড়াতে হয়েছে।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ভবিষ্যতে বৈশ্বিক সংকট দেখা দিলেও বাংলাদেশ যেন জ্বালানি সংকটে না পড়ে, সে লক্ষ্যেই দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা করা হচ্ছে। জনগণের চাপ কমাতে সাম্প্রতিক বাজেটে প্রায় ৬০টি নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যে কর বাড়ানো হয়নি এবং কয়েকটি পণ্যের কর কমানো হয়েছে বলে তিনি জানান। কর্মপরিকল্পনা বাস্তবায়নের মাধ্যমে পরিস্থিতি স্বাভাবিক করার আশ্বাসও দেন তিনি।