সৌদি আরব, তুরস্ক ও পাকিস্তানের শীর্ষ নেতারা ৭ আগস্ট ২০২৬ মক্কার আল-সাফা প্রাসাদে ‘মক্কা যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তি’ স্বাক্ষর করেছেন। সৌদি ক্রাউন প্রিন্স ও প্রধানমন্ত্রী মোহাম্মদ বিন সালমান, তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়্যেপ এরদোয়ান এবং পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফের উপস্থিতিতে চুক্তিটি হয়। যৌথ বিবৃতি অনুযায়ী, যেকোনো আগ্রাসনের বিরুদ্ধে সম্মিলিত প্রতিরোধ বাড়ানো এর মূল উদ্দেশ্য।
চুক্তিতে তিন দেশের যেকোনো একটির বিরুদ্ধে সশস্ত্র হামলাকে সবার বিরুদ্ধে হামলা হিসেবে গণ্য করার কথা বলা হয়েছে। তবে নির্দিষ্ট সামরিক বাধ্যবাধকতার বিস্তারিত প্রকাশ করা হয়নি। তুর্কি কর্মকর্তারা একে প্রতিরক্ষামূলক ও কোনো নির্দিষ্ট দেশের বিরুদ্ধে নয় বলে বর্ণনা করেছেন। চুক্তিটি অন্য আঞ্চলিক দেশের জন্যও উন্মুক্ত রাখা হয়েছে এবং এটি ২০২৫ সালের সৌদি-পাকিস্তান কৌশলগত পারস্পরিক প্রতিরক্ষা চুক্তির ভিত্তিতে গড়ে উঠেছে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, এটি ন্যাটোর আর্টিকেল-৫ নীতির সঙ্গে সাদৃশ্যপূর্ণ হলেও পূর্ণাঙ্গ সামরিক জোট নয়। এতে সমন্বিত কমান্ড, স্থায়ী সদর দপ্তর, যৌথ মহড়া বা স্বয়ংক্রিয় প্রতিক্রিয়ার বাধ্যবাধকতা নেই। প্রতিটি দেশ নিজস্ব স্বার্থ বিবেচনায় প্রতিরক্ষাসংক্রান্ত সিদ্ধান্ত নেবে। পাকিস্তান এপ্রিল ২০২৬-এ সৌদির প্রতিরক্ষা জোরদারে প্রায় আট হাজার সেনা, জেএফ-১৭ স্কোয়াড্রন, ড্রোন ও বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা পাঠিয়েছিল বলে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে।