Web Analytics
বাংলাদেশ সরকার জানিয়েছে, মধ্যপ্রাচ্যের চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতি দেশের জ্বালানি তেলের সরবরাহে কোনো প্রভাব ফেলেনি। সচিবালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে জ্বালানি বিভাগের যুগ্ম সচিব মো. মনির হোসেন চৌধুরী বলেন, দেশের জ্বালানি মজুত ও সরবরাহ ব্যবস্থা সন্তোষজনক রয়েছে। বিকল্প উৎস থেকে পরিশোধিত তেল আমদানি ও ইস্টার্ন রিফাইনারি লিমিটেডকে সীমিতভাবে চালু রেখে সরবরাহ স্বাভাবিক রাখা হচ্ছে। ইতিমধ্যে পাঁচ লাখ লিটার জ্বালানি তেল উদ্ধার করা হয়েছে। তবে রাজধানীসহ বিভিন্ন এলাকায় পেট্রোল পাম্পে দীর্ঘ লাইন ও ভোগান্তি দেখা যাচ্ছে।

জ্বালানি কর্মকর্তারা জানান, হরমুজ প্রণালি বন্ধ থাকায় সৌদি আরব ও সংযুক্ত আরব আমিরাত থেকে নির্ধারিত সময়ের তেল আসতে পারেনি, ফলে মার্চ ও এপ্রিলে তিন লাখ টন ক্রুড অয়েল দেশে পৌঁছায়নি। তবে মে মাসের শুরুতে নতুন চালান আসার সম্ভাবনা রয়েছে এবং জরুরি ভিত্তিতে অতিরিক্ত আমদানির অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। যুদ্ধ পরিস্থিতি দীর্ঘায়িত হলে তেলের দাম বাড়ানোর বিষয়েও সরকার বিবেচনা করছে।

জ্বালানি বিভাগ জানিয়েছে, বর্তমান ভোগান্তির মূল কারণ আতঙ্কে কেনাকাটা, প্রকৃত ঘাটতি নয়। জনগণকে অতিরিক্ত মজুত না করার আহ্বান জানানো হয়েছে।

Card image

Related Videos

logo
No data found yet!

সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।