বাগেরহাটের খান জাহান আলী মাজারের দিঘির প্রধান ঘাট থেকে সোমবার রাত আনুমানিক সাড়ে ৯টার দিকে ফাতেমা নামের সাত বছরের এক শিশুকে কুমির ধরে নিয়ে যায়। মুহূর্তের মধ্যে হাজারো মানুষ ঘটনাস্থলে জড়ো হয়। মাজার কর্তৃপক্ষ প্রশাসনকে জানালে উদ্ধার অভিযান শুরু হয়। বাগেরহাট-২ আসনের সংসদ সদস্য, জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার ও স্থানীয় রাজনৈতিক নেতারা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। তবে উদ্ধারকারী দল শিশুটিকে জীবিত উদ্ধার করতে ব্যর্থ হয়।
পরবর্তীতে ২ জুন ভোর ৪টা ৪০ মিনিটে শিশুটির লাশ ভাসমান অবস্থায় ঘাট থেকে উদ্ধার করা হয়। মাজারের প্রধান খাদেম ফকির তারিকুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেন। স্থানীয় বাসিন্দা মোহাম্মদ হামিম বলেন, এমন দুঃখজনক ঘটনা দর্শনার্থীদের আগ্রহ কমিয়ে দিতে পারে এবং কুমিরটিকে নির্দিষ্ট স্থানে সংরক্ষণ করা জরুরি। আরেক বাসিন্দা জাবের শেখ জানান, এই কুমিরটি খানজাহান আলী (রহ.)-এর আনা নয়, বরং ভারত থেকে আনা হিংস্র প্রজাতির কুমির।
শিশুটির মা, যিনি এলাকায় ‘পাগলি’ নামে পরিচিত, সন্তানের মৃত্যুর পর থেকে বিলাপ করছেন এবং কিছু বলতে পারছেন না।