বাংলাদেশে প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের জন্য অধিকাংশ গণপরিবহন ও নগর অবকাঠামো এখনো উপযোগী নয় বলে প্রতিবেদনে উঠে এসেছে। হুইলচেয়ার ব্যবহারকারী রিনি ইসলাম ও হায়দার আলী রিকশা, বাস, সিএনজি এবং অন্যান্য যানে হুইলচেয়ার বহন ও যাতায়াতে সমস্যার কথা বলেছেন। দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী রাহা আক্তার রেলস্টেশনে ব্রেইল সাইনবোর্ড ও অডিও নির্দেশনা না থাকায় দিক হারানোর অভিজ্ঞতা জানিয়েছেন। আইন অনুযায়ী গণপরিবহনে প্রতিবন্ধীদের জন্য পাঁচ শতাংশ আসন সংরক্ষণের কথা থাকলেও অপর্যাপ্ত অবকাঠামোর কারণে অনেকেই তা ব্যবহার করতে পারেন না।
ডিটিসিএর মেট্রোরেল এমআরটি লাইন-৬-এ প্রতিবন্ধী যাত্রীদের একক টিকিটে ২৫ শতাংশ বিশেষ ভাড়া ছাড় চালু রয়েছে, তবে এটি সীমিত রুটে চলাচল করে। ২ জুলাইয়ের এক সরকারি সভায় ৫০০ উপজেলা স্বাস্থ্যকেন্দ্র ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান প্রতিবন্ধীবান্ধব করার কথা জানানো হয়। নতুন স্থাপনায় র্যাম্প, লিফট ও বিশেষ টয়লেটের ব্যবস্থা বাধ্যতামূলক করার কথাও বলা হয়েছে। বি-স্ক্যান ও ডব্লিউডিডিএফের প্রতিনিধিরা র্যাম্প, লিফট, সঠিক নকশা, রক্ষণাবেক্ষণ এবং প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের অংশগ্রহণসহ ব্যাপক সংস্কারের দাবি জানিয়েছেন।