ইরান যুদ্ধের কারণে ক্ষেপণাস্ত্রের মজুত দ্রুত কমে যাওয়ার মধ্যেও কুয়েত, সংযুক্ত আরব আমিরাত ও বাহরাইনের কাছে প্রায় ১৭ দশমিক ১ বিলিয়ন ডলারের উন্নত আকাশ প্রতিরক্ষা ক্ষেপণাস্ত্র ও সামরিক সেবা বিক্রির অনুমোদন দিয়েছে ট্রাম্প প্রশাসন। যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর গত শুক্রবার কংগ্রেসকে এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে জানালেও প্রকাশ্যে ঘোষণা দেয়নি। ওই দিন মোট ২৫ দশমিক ৭ বিলিয়ন ডলারের অস্ত্র বিক্রি অনুমোদিত হয়, যার মধ্যে ৮ দশমিক ৬৪ বিলিয়ন ডলার ছিল নতুন জরুরি বিক্রি।
এই প্যাকেজটি ২০১৯ ও ২০২৪ সালের পূর্ববর্তী চুক্তির সম্প্রসারণ, যেখানে কুয়েতের জন্য ৯ দশমিক ৩ বিলিয়ন, আমিরাতের জন্য ৬ দশমিক ২৫ বিলিয়ন এবং বাহরাইনের জন্য ১ দশমিক ৬২৫ বিলিয়ন ডলারের সরঞ্জাম অন্তর্ভুক্ত। প্রতিটি প্যাট্রিয়ট ইন্টারসেপ্টর ক্ষেপণাস্ত্রের গড় মূল্য প্রায় ৪ মিলিয়ন ডলার। একই সময়ে কাতারও প্রায় ৪ বিলিয়ন ডলারের অর্ডার দিয়েছে। ফেব্রুয়ারির শেষ থেকে যুক্তরাষ্ট্র ১ হাজার ৩০০টির বেশি এবং উপসাগরীয় দেশগুলো প্রায় ৬০০টি ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করেছে।
পেন্টাগনের কর্মকর্তারা সতর্ক করেছেন, বিদেশি সরবরাহ বাড়লে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক প্রস্তুতি চাপে পড়তে পারে। কংগ্রেসের কিছু সদস্য প্রশাসনের জরুরি বিক্রির পদ্ধতি নিয়ে সমালোচনা করেছেন, যা গণতান্ত্রিক তদারকি এড়িয়ে যাচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।