Web Analytics
ফ্রান্সজুড়ে সহিংস দাঙ্গা দেশটির রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক সংকটকে আরও স্পষ্ট করেছে বলে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে। সপ্তাহান্তে প্যারিস, মার্সেই ও বোর্দোসহ বড় শহরগুলোতে লুটপাট ও ভাঙচুর হয়। লিমোজের সিটি হলে আগুনে ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে এবং ভবনটির ঘড়ি-টাওয়ারের চূড়া ধসে পড়ে। সোমবার প্রধানমন্ত্রী সেবাস্তিয়ান লেকর্নু দেশকে বিশৃঙ্খল পরিস্থিতিতে পড়ার কথা বলেন। সপ্তাহান্তের সহিংসতায় প্রায় ২ হাজার ৪০০ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

শরৎকালীন শিক্ষাবর্ষের শুরু থেকে জরাজীর্ণ স্কুল, শিক্ষকের ঘাটতি ও অনিশ্চিত কর্মসংস্থান নিয়ে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ চলছিল। ওই আন্দোলনে ৬ হাজারের বেশি গ্রেপ্তার এবং শতাধিক স্কুল ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার কথা প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ব্যর্থ হয়েছে বলে দায় নিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী লরাঁ নুনেজ পদত্যাগের প্রস্তাব দিয়েছেন। প্রেসিডেন্ট এমানুয়েল মাখোঁ সহিংসতার নিন্দা করলেও নতুন কোনো পরিকল্পনা জানাননি এবং পরে তিন দিনের উপসাগরীয় সফরে যান।

আগামী সপ্তাহান্তে নতুন বিক্ষোভের কর্মসূচি রয়েছে, আর শ্রমিক ইউনিয়নগুলো নভেম্বরে ধর্মঘটের পরিকল্পনা করছে। প্রতিবেদনে রাজনৈতিক অচলাবস্থা, দুর্বল বিনিয়োগ, মূল্যস্ফীতির চাপ ও সরকারি ঋণকে নির্বাচনপূর্ব অনিশ্চয়তার প্রধান কারণ হিসেবে তুলে ধরা হয়েছে। উদ্ধৃত জনমত জরিপে মেরিন লো পেন এগিয়ে আছেন; ইপসোস-বিভিএর জরিপে দেশের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে ব্যাপক অসন্তোষ দেখা গেছে।

Card image

Related Videos

logo
No data found yet!

সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।