যুক্তরাষ্ট্র দাবি করেছে, তারা ইরানের প্রায় ৫০ কোটি ডলারের ক্রিপ্টোকারেন্সি সম্পদ জব্দ করেছে, যা তেহরানের ওপর অর্থনৈতিক চাপ আরও বাড়িয়েছে। মার্কিন ট্রেজারি সেক্রেটারি স্কট বেসেন্ট ফক্স নিউজকে জানান, প্রায় ৩৫০ মিলিয়ন ডলারের ক্রিপ্টো সম্পদ সম্প্রতি জব্দ করা হয়েছে এবং আগে জব্দ করা ১০০ মিলিয়ন ডলারসহ মোট অঙ্ক প্রায় অর্ধ বিলিয়ন ডলারের কাছাকাছি। তিনি আরও জানান, বিভিন্ন দেশের ব্যাংক অ্যাকাউন্টও ফ্রিজ করা হচ্ছে।
বেসেন্ট বলেন, সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প গত বছরের মার্চে ইরানের ওপর অর্থনৈতিক চাপ বাড়ানোর নির্দেশ দেন এবং সম্প্রতি আবারও তা জোরদার করার নির্দেশ দিয়েছেন। যুক্তরাষ্ট্র এখন বিদেশি সরকার ও কোম্পানিগুলোর ওপর চাপ দিচ্ছে যেন তারা ইরানের সঙ্গে অর্থনৈতিক সম্পর্ক কমিয়ে দেয় এবং ইরানি তেল ক্রেতাদের ওপর ‘সেকেন্ডারি স্যাংশন’-এর হুঁশিয়ারি দিচ্ছে। বেসেন্টের মতে, এই অর্থনৈতিক অভিযান ও ইরানের বন্দরে নৌ-অবরোধ দেশটির অর্থনীতিতে স্থায়ী ক্ষতি করতে পারে।
অন্যদিকে, ইরান এই পদক্ষেপকে তুচ্ছ করে বলেছে, এতে বিশ্ববাজারে তেলের দাম আরও বাড়বে। ইরানের পার্লামেন্ট স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ বেসেন্টের মন্তব্যকে সামাজিক মাধ্যমে ‘অপ্রাসঙ্গিক’ বলে কটাক্ষ করেছেন।