বিশ্বব্যাংক সতর্ক করেছে যে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের চলমান যুদ্ধ বৈশ্বিক অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিকে কোভিড-১৯ মহামারির পর থেকে সর্বনিম্ন পর্যায়ে নামিয়ে আনতে পারে। বৃহস্পতিবার প্রকাশিত তাদের সর্বশেষ ‘গ্লোবাল ইকোনমিক প্রসপেক্টস’ প্রতিবেদনে প্রতিষ্ঠানটি জানিয়েছে, জ্বালানির দাম বৃদ্ধি, মুদ্রাস্ফীতি এবং ঋণের উচ্চ ব্যয়ের কারণে ২০২৬ সালের বৈশ্বিক প্রবৃদ্ধির পূর্বাভাস জানুয়ারির ২ দশমিক ৯ শতাংশ থেকে কমিয়ে ২ দশমিক ৫ শতাংশ নির্ধারণ করা হয়েছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের শুরু করা সংঘাতের জবাবে ইরান হরমুজ প্রণালি বন্ধ করে দেওয়ায় বৈশ্বিক জ্বালানি ও সরবরাহ শৃঙ্খলে ব্যাপক চাপ সৃষ্টি হয়েছে। বিশ্বব্যাংকের ধারণা, এ বছর ব্রেন্ট ক্রুড তেলের গড় দাম ব্যারেলপ্রতি ৯৪ ডলার হবে, যা গত বছরের তুলনায় ৩৬ শতাংশ বেশি। সারের দামও বাড়বে, ফলে খাদ্যপণ্যের দাম বৃদ্ধি পাবে। কৌশলগত এই প্রণালি বন্ধ থাকলে বৈশ্বিক মুদ্রাস্ফীতি ৪ শতাংশে পৌঁছাতে পারে।
জ্বালানি সরবরাহে ব্যাঘাত অব্যাহত থাকলে বৈশ্বিক প্রবৃদ্ধি ১ দশমিক ৩ শতাংশে নেমে আসতে পারে এবং মুদ্রাস্ফীতি ৪ দশমিক ৪ শতাংশে পৌঁছাতে পারে বলে বিশ্বব্যাংক সতর্ক করেছে। উন্নয়নশীল দেশগুলো এই প্রভাবের প্রধান শিকার হবে এবং জানুয়ারি থেকে দুই-তৃতীয়াংশ দেশের প্রবৃদ্ধির পূর্বাভাস কমানো হয়েছে।