ইরান ও কুয়েতের দীর্ঘ কূটনৈতিক সম্পর্ক সাম্প্রতিক সময়ে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক ঘাঁটি ও আঞ্চলিক নিরাপত্তা প্রশ্নে নতুন উত্তেজনায় পড়েছে। ৩ আগস্ট ২০২৬ প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়, ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই সামাজিক মাধ্যমে কুয়েতকে ‘অশুভ শক্তির আগুনের অংশ’ বলেন। কুয়েতে থাকা মার্কিন ঘাঁটি ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলার লক্ষ্যবস্তু হওয়ার সময় তিনি এ মন্তব্য করেন।
কুয়েত সরকার বলেছে, তাদের ভূখণ্ড থেকে যুক্তরাষ্ট্র ইরানের বিরুদ্ধে কোনো সামরিক অভিযান চালায়নি। দেশটির প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় ইরানের হামলাকে ‘অপরাধমূলক আগ্রাসন’ আখ্যা দিয়েছে। ১৯৮০ সালের ইরান-ইরাক যুদ্ধের সময় কুয়েত ইরাককে ঋণ, লজিস্টিক সহায়তা ও বন্দর ব্যবহারের সুযোগ দেয়, যা সম্পর্কের টানাপোড়েন বাড়ায়।
১৯৯০ সালে ইরাক কুয়েত দখলের পর ইরান শরণার্থীদের আশ্রয় দেয় এবং ৪৭ প্রকৌশলী ও তেল বিশেষজ্ঞ পাঠিয়ে ২৮টি জ্বলন্ত তেলকূপ নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করে। বর্তমানে কুয়েতে যুক্তরাষ্ট্রের পাঁচটি ঘাঁটিতে প্রায় ১৩ হাজার ৫০০ সেনা রয়েছে। কুয়েত পাঁচ বছরের পাকিস্তান প্রতিরক্ষা চুক্তিও অনুমোদন করেছে, যাতে প্রশিক্ষণ, গোয়েন্দা তথ্য বিনিময় ও প্রযুক্তিগত সহযোগিতা অন্তর্ভুক্ত।