শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শাবিপ্রবি) কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (শাকসু) নির্বাচন ২০২৬ সালের ১৯ জানুয়ারি হাইকোর্টের চার সপ্তাহের স্থগিতাদেশের পরও পাঁচ মাস পেরিয়ে অনিশ্চিত অবস্থায় রয়েছে। স্বতন্ত্র প্রার্থী মোমিনুর রশিদ শুভ নির্বাচন কমিশনের অনুমতির বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে রিট করলে আদালত ভোট স্থগিত করে। স্থগিতাদেশের মেয়াদ শেষ হলেও বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন নির্বাচনের কোনো দৃশ্যমান উদ্যোগ নেয়নি, ফলে ২৮ বছর পর ভোটের আশায় থাকা শিক্ষার্থীরা হতাশ।
নির্বাচন স্থগিতের ঘোষণার পর শিক্ষার্থীরা প্রশাসনিক ভবন ঘেরাও ও সড়ক অবরোধ করে প্রতিবাদ জানায়। বিভিন্ন ছাত্র ও শিক্ষক সংগঠন রাজনৈতিক প্রভাবের অভিযোগ তুলে একে অপরকে দায়ী করছে। প্রধান নির্বাচন কমিশনার জানান, কমিশন প্রস্তুত থাকলেও প্রশাসনের নির্দেশ ছাড়া কিছু করতে পারছে না। নতুন উপাচার্য বলেন, তিনি বিষয়টি পর্যালোচনা করে ইতিবাচক সিদ্ধান্ত নিতে চান। শুভ দাবি করেন, জাতীয় স্বার্থে নিরপেক্ষ নির্বাচনের পরিবেশ নিশ্চিত করতেই তিনি রিট করেছিলেন।
শিক্ষার্থীরা দ্রুত শাকসু নির্বাচন আয়োজনের দাবি জানিয়ে বলছেন, দীর্ঘ বিলম্ব গণতান্ত্রিক চর্চাকে বাধাগ্রস্ত করছে।