২০২৬ সালের ২১ জুলাই প্রকাশিত ‘আমার দেশ’-এর এক মন্তব্যে অভিযোগ করা হয়েছে, বাংলাদেশের কিছু বামপন্থি রাজনৈতিক গোষ্ঠী আওয়ামী লীগের প্রচারবিদদের সঙ্গে সুর মিলিয়ে জুলাইয়ের গণঅভ্যুত্থানের অর্জনকে প্রশ্নবিদ্ধ করছে। লেখাটিতে বলা হয়, শেখ হাসিনার পতনের মধ্য দিয়ে যে গণআন্দোলনে এক হাজারেরও বেশি মানুষ প্রাণ দিয়েছিল, সেটিকে ষড়যন্ত্র হিসেবে উপস্থাপন করার চেষ্টা চলছে। ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন বর্তমান সরকারের সমালোচনার আড়ালে তারা হাসিনা আমলের গুম, খুন ও নিপীড়নের ইতিহাস ঢেকে দিতে চায়।
প্রবন্ধে বলা হয়, এই অভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশে বাকস্বাধীনতা ফিরে এসেছে, গুম-খুন বন্ধ হয়েছে এবং ভোটাধিকার পুনঃপ্রতিষ্ঠিত হয়েছে। বর্তমান সময়ে বিরোধী দলগুলো সহিংস কর্মসূচি ছাড়াই সভা-সমাবেশ করছে, যা অতীতের দমননীতির সঙ্গে বৈপরীত্য তৈরি করেছে। লেখক দাবি করেন, হাসিনার আমলে বাংলাদেশ ভারতের প্রভাববলয়ে আবদ্ধ ছিল, কিন্তু এখন স্বাধীন পররাষ্ট্রনীতি অনুসরণের সুযোগ পেয়েছে।
লেখাটির উপসংহারে বলা হয়, তথাকথিত বামপন্থিরা আবারও আওয়ামী বয়ান প্রচারের মাধ্যমে গণঅভ্যুত্থানের গণতান্ত্রিক অর্জনকে খাটো করার চেষ্টা করছে, তবে জনগণ তাদের এই পুনর্বাসন প্রচেষ্টা প্রত্যাখ্যান করেছে।