মহেশখালীতে এলএনজি টার্মিনালে দুর্ঘটনার পর তীব্র গ্যাস ও বিদ্যুৎ সংকটে নরসিংদীর শিল্পাঞ্চলের শত শত কারখানা ও সিএনজি স্টেশনের কার্যক্রম প্রায় বন্ধ হয়ে গেছে। ৮ আগস্ট ২০২৬ প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়, পাইপলাইনে গ্যাসের চাপ না থাকায় টেক্সটাইল, ডাইং, সিরামিকসহ মাঝারি ও ভারী শিল্পের উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে।
নরসিংদীতে তিন হাজারের বেশি টেক্সটাইল, ডাইং ও স্পিনিং মিল রয়েছে এবং এখানকার তৈরি কাপড় দেশের চাহিদার বড় অংশ পূরণ করে। ব্যবসায়ী নেতাদের ভাষ্য অনুযায়ী, নরসিংদী ও মাধবদী এলাকার প্রায় ৮০ শতাংশ মিল বন্ধ। শিল্পমালিকদের দাবি, জ্বালানির এই ঘাটতিতে শিল্পজোনে প্রতিদিন গড়ে ৪০০ থেকে ৫০০ কোটি টাকার আর্থিক ক্ষতি হচ্ছে।
ভূঁইয়া টেক্সটাইল অ্যান্ড ক্যালন্ডার মিলসের পরিচালক আনিসুর রহমান ভূঁইয়া বলেন, দুই সপ্তাহ ধরে তাদের উৎপাদন প্রায় বন্ধ; প্রয়োজনীয় ১০ পিএসআইয়ের বিপরীতে গ্যাসের চাপ মিলছে এক থেকে দুই পিএসআই। উদ্যোক্তারা জানান, উৎপাদন ও বিক্রি বন্ধ থাকায় শ্রমিক-কর্মচারীদের মাসিক বেতন দেওয়া কঠিন হয়ে পড়েছে। বিটিএমএর মুখপাত্র আব্দুল্লাহ আল মামুন সতর্ক করেন, এই শূন্যতা অব্যাহত থাকলে জনরোষ তৈরি হতে পারে।