ইউরোপজুড়ে নতুন নির্বাচনি পর্ব ইউরোপীয় ইউনিয়নের রাজনৈতিক ভারসাম্য বদলে দিতে পারে। আগামী মাসে স্পেনের আগাম ভোট এ পর্বের প্রথম বড় পরীক্ষা হিসেবে দেখা হচ্ছে। আগামী এক বছরে ফ্রান্স, ইতালি, পোল্যান্ড, ফিনল্যান্ড, গ্রিস, এস্তোনিয়া ও স্লোভাকিয়াতেও নির্বাচন হওয়ার কথা রয়েছে। নিবন্ধটি বলছে, বড় সদস্যদেশগুলোতে উগ্র ডানপন্থি ও জাতীয়তাবাদী দলগুলোর সাফল্য ইইউর ভবিষ্যৎ পথচলা নিয়ে অনিশ্চয়তা বাড়াতে পারে।
আবাসন সংস্কার প্রস্তাব পার্লামেন্টে আটকে যাওয়ার পর স্পেনের প্রধানমন্ত্রী পেদ্রো সানচেজ আগাম নির্বাচনের ঘোষণা দেন। রক্ষণশীল পিপি, উগ্র ডানপন্থি ভক্স এবং কাতালোনিয়ার স্বাধীনতাপন্থি জুন্টস প্রস্তাবটির বিরোধিতা করে। জনমত জরিপে পিপি ও তাদের সম্ভাব্য মিত্র ভক্স এগিয়ে রয়েছে। ফ্রান্সে ন্যাশনাল র্যালির মেরিন লে পেনের প্রেসিডেন্ট হওয়ার সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা চলছে; ইতালিতে জর্জিয়া মেলোনির সরকার ফের ক্ষমতায় আসতে পারে এবং পোল্যান্ডে ল অ্যান্ড জাস্টিস আবার সরকারে ফেরার চেষ্টা করছে।
নিবন্ধ অনুযায়ী, কয়েকটি বড় দেশে জাতীয়তাবাদী সরকার গঠিত হলে আর্থিক সহযোগিতা, জ্বালানি, প্রতিরক্ষা, প্রযুক্তি ও পররাষ্ট্রনীতিতে ইইউর সমঝোতা কঠিন হতে পারে। ইউক্রেনকে সহায়তা, রাশিয়ার সঙ্গে সম্পর্ক এবং ইউরোপের নিরাপত্তা কাঠামো নিয়েও মতপার্থক্য বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে। তবে ডানপন্থিদের নির্বাচনি সাফল্য মানেই ইইউর অবসান নয়; ফলাফল, দলগুলোর সম্পর্ক এবং ক্ষমতায় গিয়ে তাদের নীতিই ভবিষ্যৎ নির্ধারণ করবে।