চট্টগ্রাম প্রাণিসম্পদ বিভাগের আওতাধীন বিভিন্ন মুরগি খামারের খাদ্য ও ওষুধ সরবরাহের টেন্ডারে আওয়ামী লীগের এক নেতার প্রতিষ্ঠানের পক্ষে বিশেষ শর্ত আরোপের অভিযোগ উঠেছে। ই-জিপি পদ্ধতিতে আহ্বান করা এসব দরপত্রে এমন কারিগরি শর্ত দেওয়া হয়েছে, যা অধিকাংশ ঠিকাদারের অংশগ্রহণ কঠিন করে তোলে। প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয় বিষয়টি তদন্ত করছে।
লিখিত অভিযোগ ও নথিপত্রে দেখা গেছে, বিদেশ থেকে আমদানি করা পণ্যের জন্য ‘ম্যানুফ্যাকচারার অথরাইজেশন’ বাধ্যতামূলক করা হয়, যা অনেক সরবরাহকারীর জন্য বাধা সৃষ্টি করেছে। অভিযোগকারীরা দাবি করেন, সীতাকুণ্ডের সাবেক আ.লীগ নেতা হারুণ উর রশিদের মালিকানাধীন দুটি প্রতিষ্ঠান দীর্ঘ ১৭ বছর ধরে এসব কাজ একচেটিয়াভাবে পাচ্ছে। কয়েকটি প্রতিষ্ঠান টেন্ডারের শর্ত শিথিল করে উন্মুক্ত প্রতিযোগিতা নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছে।
দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, টেন্ডার প্রক্রিয়া সম্পূর্ণভাবে সরকারি ক্রয়বিধি অনুসারে পরিচালিত হচ্ছে। তবে অভিযোগকারীরা মনে করেন, এসব শর্ত উন্মুক্ত প্রতিযোগিতা ব্যাহত করছে এবং সরকারের আর্থিক ক্ষতির ঝুঁকি তৈরি করছে।