ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের এক মাসের মধ্যেই নবগঠিত বিএনপি নেতৃত্বাধীন সরকার ঈদকে ঘিরে ব্যাপক তৃণমূল যোগাযোগ কার্যক্রম শুরু করেছে। দীর্ঘ ১৮ বছর পর ক্ষমতায় আসা বিএনপির জন্য এবারের ঈদ শুধু ধর্মীয় উৎসব নয়, বরং জনগণের সঙ্গে সম্পর্ক পুনর্গঠনের একটি গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ হিসেবে দেখা হচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন তারেক রহমান ঢাকায় জাতীয় ঈদগাহে নামাজ আদায়ের পর রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় কূটনীতিক, শিক্ষাবিদ ও সাধারণ মানুষের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করবেন।
বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াতে ইসলামী আমির ডা. শফিকুর রহমান মিরপুরে ঈদের নামাজ আদায় করে কূটনীতিক ও রাজনৈতিক নেতাদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করবেন। বিএনপি, জামায়াত, এনসিপি ও ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের নেতারা নিজ নিজ এলাকায় বা বিদেশে ঈদ উদযাপন করবেন। সারাদেশে বিএনপি ও জোটের সংসদ সদস্যরা উপহারসামগ্রী, খাদ্য ও নগদ অর্থ বিতরণসহ উন্নয়ন ও সামাজিক কর্মকাণ্ডে ব্যস্ত রয়েছেন।
দলীয় সূত্র জানায়, ঈদ উপলক্ষে এই জনসংযোগ কার্যক্রম তৃণমূল ঐক্য জোরদার ও আসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচনের প্রস্তুতির অংশ। স্থানীয়দের মতে, জনপ্রতিনিধিদের সক্রিয় উপস্থিতি এলাকায় ইতিবাচক প্রভাব ফেলছে।