লন্ডনের মেয়র হিসেবে সাদিক খান টানা দশ বছর পূর্ণ করেছেন, যুক্তরাজ্যের বড় রাজনৈতিক পরিবর্তনের মধ্যেও তিনি দায়িত্বে বহাল রয়েছেন। এক দশক আগে প্রথমবার নির্বাচিত হওয়ার পর থেকে পাঁচজন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী—ডেভিড ক্যামেরন, থেরেসা মে, বরিস জনসন, লিজ ট্রাস ও ঋষি সুনাক—পদত্যাগ করেছেন, বর্তমানে দায়িত্বে আছেন কিয়ার স্টারমার। দক্ষিণ লন্ডনের এক বাসচালকের ছেলে খান তিনবার নির্বাচিত হয়ে রাজধানীর ইতিহাসে দীর্ঘতম সময় দায়িত্ব পালনকারী মেয়রদের একজন হয়েছেন। তিনি বলেন, লন্ডন আশার জীবন্ত উদাহরণ এবং তার সবচেয়ে বড় শিক্ষা হলো বিভিন্ন মত ও সম্প্রদায়ের মানুষের সঙ্গে জোট গঠন করা।
তার মেয়াদকালে লন্ডনকে পেরোতে হয়েছে ব্রেক্সিট, মহামারি, সন্ত্রাসী হামলা ও গ্রেনফেল টাওয়ার অগ্নিকাণ্ডের মতো কঠিন সময়। লন্ডনের প্রথম মুসলিম মেয়র হিসেবে তিনি বর্ণবাদী ও ইসলামবিদ্বেষী আক্রমণেরও শিকার হয়েছেন, বিশেষ করে ডোনাল্ড ট্রাম্পের কাছ থেকে। খান মনে করেন, লন্ডনের বহুত্ববাদই চরম জাতীয়তাবাদের বিরুদ্ধে এক প্রতীক।
পরিবেশ ও জনস্বাস্থ্যে তার নেতৃত্বে লন্ডনে সম্প্রসারিত হয়েছে অতি নিম্ন নির্গমন অঞ্চল, বেড়েছে সাইকেল লেন, চালু হয়েছে বৈদ্যুতিক বাস এবং বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি। তিনি বলেন, লন্ডন এখন আরও সবুজ, নিরাপদ ও ন্যায্য শহর, যদিও জলবায়ু পরিবর্তন ও দূষণ মোকাবিলায় আরও কাজ বাকি।