উপসাগরীয় অঞ্চলে চলমান যুদ্ধ দেশগুলোর দীর্ঘমেয়াদী প্রতিরক্ষা কৌশলে বড় পরিবর্তন এনেছে। এশিয়া গ্রুপের জিসিসি বিষয়ক ব্যবস্থাপনা পরিচালক আহমেদ হেলাল একে ‘কৌশলগত অনিবার্যতা’ হিসেবে বর্ণনা করেছেন। তিনি আল জাজিরাকে জানান, কাতার এখন আর প্রথাগত মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকায় নেই, কারণ দেশটি নিজেই হামলার শিকার হয়েছে এবং বাইরের শক্তির সহায়তা চেয়েছে। বর্তমানে এই অঞ্চলের প্রধান লক্ষ্য হলো শত্রুতা কমানো এবং কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি পুনরায় খুলে দেওয়া।
প্রতিরক্ষা সক্ষমতা বাড়াতে উপসাগরীয় দেশগুলো নতুন অংশীদারিত্বে এগিয়ে যাচ্ছে। ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি সম্প্রতি কাতার, সৌদি আরব ও সংযুক্ত আরব আমিরাত সফর করেছেন, যেখানে ড্রোন প্রতিরোধ প্রযুক্তি ও যুদ্ধ অভিজ্ঞতা বিনিময় সংক্রান্ত একাধিক চুক্তি হয়েছে। হেলালের মতে, ওয়াশিংটন থেকে সিউল পর্যন্ত সব দেশের জন্য এখন উপসাগরীয় প্রতিরক্ষা বাজার উন্মুক্ত।
সংযুক্ত আরব আমিরাত ইতিমধ্যে দক্ষিণ কোরিয়ার ইন্টারসেপ্টর প্রযুক্তি ব্যবহার করছে, যা যুক্তরাষ্ট্রের প্যাট্রিয়ট সিস্টেমের তুলনায় সাশ্রয়ী ও প্রতিযোগিতামূলক। এতে বোঝা যায়, উপসাগরীয় দেশগুলো এখন একক কোনো শক্তির ওপর নির্ভর না করে প্রতিরক্ষা উৎসে বৈচিত্র্য আনছে।