ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি) জনপ্রতিনিধিদের জন্য বিশেষায়িত ও বাধ্যতামূলক নৈতিক আচরণবিধি অবিলম্বে প্রণয়নের আহ্বান জানিয়েছে। মঙ্গলবার গণমাধ্যমে পাঠানো বিবৃতিতে সংস্থাটি প্রশ্ন তোলে, দলীয় তদন্তে ‘নৈতিক স্খলন’ প্রমাণিত হওয়ায় দল থেকে বহিষ্কার এবং মরিয়ম খাতুনের অস্বাভাবিক মৃত্যুর মামলায় গ্রেপ্তার ও পুলিশ রিমান্ডের পরও সাতক্ষীরা-৪ আসনের সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামের সদস্যপদ কেন বহাল রয়েছে।
টিআইবি মরিয়ম খাতুনের মৃত্যু এবং গাজী নজরুল ইসলামের বিরুদ্ধে আগে ওঠা যৌন ব্ল্যাকমেইলের অভিযোগের নিরপেক্ষ ও প্রভাবমুক্ত তদন্ত দাবি করেছে। নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান বলেন, ফৌজদারি দায় আদালত নির্ধারণ করবে; তবে এমপির নৈতিকতা, ক্ষমতার ব্যবহার ও জনগণের আস্থার বিষয়ে জবাবদিহি নিশ্চিত করা সংসদের দায়িত্ব।
সংস্থাটি জানায়, সংবিধানের ৬৬(২)(ঘ) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী নৈতিক স্খলনজনিত অপরাধে দোষী সাব্যস্ত হয়ে অন্তত দুই বছরের কারাদণ্ড না হলে সাংবিধানিক অযোগ্যতা স্বয়ংক্রিয়ভাবে তৈরি হয় না। তবে গুরুতর নৈতিক স্খলন, স্বার্থের সংঘাত, ক্ষমতার অপব্যবহার বা সংসদের মর্যাদা ক্ষুণ্নের ঘটনায় কী ব্যবস্থা হবে, তা স্পষ্ট করার দাবি জানিয়েছে টিআইবি।