Web Analytics
বাংলাদেশে গ্যাস সংকট আরও তীব্র হওয়ায় জাতীয় সঞ্চালন লাইনে চাপ সর্বনিম্ন পর্যায়ে নেমেছে বলে প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে। ১৩ আগস্ট ২০২৬ প্রকাশিত এ প্রতিবেদনে বলা হয়, প্রাকৃতিক দুর্যোগ ও উত্তাল সমুদ্রের কারণে মহেশখালীর ভাসমান এলএনজি টার্মিনালগুলো থেকে সরবরাহ কমেছে। এর প্রভাবে শিল্প উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে, আবাসিক গ্রাহকেরা দিনের অধিকাংশ সময় গ্যাস পাচ্ছেন না এবং সিএনজি স্টেশনগুলোতে দীর্ঘ অপেক্ষা হচ্ছে।

জ্বালানি বিভাগ ও পেট্রোবাংলার হিসাবে দৈনিক গ্যাসের চাহিদা ৪০০ কোটি ঘনফুট, যদিও বিশেষজ্ঞদের মতে তা ৫০০ কোটি ঘনফুটের বেশি। জাতীয় গ্রিডে সরবরাহের সক্ষমতা ২৭০ কোটি ঘনফুট। এক্সিলারেট পরিচালিত টার্মিনাল থেকে ৬০ কোটি ঘনফুটের বদলে ২৮ কোটি এবং সামিটের টার্মিনাল থেকে ৫০ কোটি ঘনফুটের বদলে ২৫ কোটি ঘনফুট গ্যাস সরবরাহ হচ্ছে। দুটি টার্মিনাল মিলিয়ে সরবরাহ ৫৭ কোটি ঘনফুট কমেছে।

শিল্পোদ্যোক্তারা জানান, গ্যাস ও বিদ্যুৎ সংকটে কারখানাগুলো উৎপাদন কমিয়েছে, শিফট হ্রাস করেছে বা বন্ধ রেখেছে। গাজীপুর ও নরসিংদীর শতাধিক কারখানা গত মঙ্গল ও বুধবার সক্ষমতার ১০ শতাংশ পণ্যও উৎপাদন করতে পারেনি। বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত বলেন, সরকার সমস্যা সমাধানে কাজ করছে, তবে পরিস্থিতি কবে স্বাভাবিক হবে তা নির্দিষ্ট করে বলা সম্ভব নয়।

Card image

Related Videos

logo
No data found yet!

সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।