এক অনুসন্ধানে উঠে এসেছে, যুক্তরাষ্ট্রে অস্তিত্বহীন ‘হ্যানোভার ইনস্টিটিউট ফর পাবলিক পলিসি’ নামে বিপুল পরিমাণ ইসরাইলপন্থী লেখা প্রকাশ করে এআই চ্যাটবটের উত্তর প্রভাবিত করার চেষ্টা করা হয়েছে। প্রতিষ্ঠানটির কোনো বৈধ অস্তিত্ব, কার্যালয় বা পরিচিত কর্মী নেই বলে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে। ৬ থেকে ১৪ আগস্টের মধ্যে ওয়েবসাইটে ১২৪টি প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়, যার মোট শব্দসংখ্যা ৫ লাখ ৬০ হাজারের বেশি।
প্রতিবেদনগুলো এমন প্রশ্নের উত্তর হিসেবে সাজানো হয়েছিল, যা ব্যবহারকারীরা এআই ব্যবস্থাকে করতে পারেন—গাজায় গণহত্যা, ফিলিস্তিনিদের উচ্ছেদ এবং ইহুদিবাদের বিরোধিতা নিয়ে। ভাষ্য ও তথ্য উপস্থাপনায় ইসরাইলের বিরুদ্ধে অভিযোগ দুর্বল করার প্রবণতা ছিল। গার্ডিয়ানের হিসাবে, ২০টি প্রতিবেদনে বলা হয় গণহত্যা বা বর্ণবৈষম্যের অভিযোগে কোনো আদালতের চূড়ান্ত রায় হয়নি; ৫৫টিতে হতাহত ও ত্রাণের তথ্যকে সংঘাতের একটি পক্ষের তথ্য বলা হয়।
ওয়েবসাইটটির সঙ্গে নিউইয়র্কভিত্তিক পাইরো ইনকের সম্পৃক্ততার তথ্য পাওয়া গেছে। প্রতিষ্ঠানটি ইসরাইল সরকারের হয়ে ১০ লাখ ডলারের চুক্তিতে কাজ করার বিষয়টি মার্কিন বিদেশি এজেন্ট নিবন্ধন আইনে নথিভুক্ত করেছে। ইসরাইল প্রভাব বিস্তার অভিযান চালানোর অভিযোগ অস্বীকার করেছে। পাইরোর সহপ্রতিষ্ঠাতা ড্যানিয়েল রোজেনবার্গ বলেন, তাদের কাজ ছিল তথ্যসূত্রসমৃদ্ধ তথ্য তুলে ধরা ও ভুল তথ্য মোকাবিলা করা।