শিশু রামিসা আক্তার হত্যাকাণ্ডে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত স্বপ্না খাতুন কাশিমপুর মহিলা কেন্দ্রীয় কারাগারের কনডেম সেলে দিন কাটাচ্ছেন। ‘আমার দেশ’-এর সঙ্গে আলাপে তিনি জানান, মাদকাসক্ত স্বামী সোহেল রানাকে বিয়ে করাই তার জীবনের সবচেয়ে বড় ভুল ছিল। নাটোরের সিংড়ার চৌগ্রামের বাসিন্দা স্বপ্না ২০ মে থেকে কারাগারে আছেন। ঢাকার শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনাল সোহেল ও স্বপ্নাকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে।
আদালতের নথি অনুযায়ী, মিরপুরের ফ্ল্যাটে সোহেল রানা রামিসাকে ধর্ষণ ও হত্যা করে লাশ টুকরো করে ফেলে। হত্যার সময় স্বপ্না উপস্থিত ছিলেন এবং স্বামীকে পালাতে সহায়তা করেন। তদন্তে তার সহযোগিতার প্রমাণ মেলে। এ কারণে আদালত তাকে হত্যাকাণ্ডের সহযোগী হিসেবে দোষী সাব্যস্ত করে।
কারাগারের সূত্র জানায়, স্বপ্না কনডেম সেলে প্রায় সারাদিন কাঁদেন এবং নিজের সন্তান ও মায়ের কথা মনে করে ভেঙে পড়েন। নৃশংস এই হত্যাকাণ্ডে দম্পতির সরাসরি সম্পৃক্ততা সমাজে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে।