২০২৬ সালের আগস্টে বাংলাদেশের শীর্ষ পাঁচ রপ্তানি পণ্যের মধ্যে সবচেয়ে বেশি প্রবৃদ্ধি অর্জন করেছে চামড়া ও চামড়াজাত শিল্প। এ খাত থেকে রপ্তানি আয় হয়েছে ১২ কোটি ৬৬ লাখ ডলার, যা আগের বছরের একই মাসের তুলনায় ২৪.৮ শতাংশ বেশি। প্রবৃদ্ধির এই হার তৈরি পোশাক খাতের ১৩.৯ শতাংশ প্রবৃদ্ধির চেয়ে বেশি হলেও রপ্তানি আকারে তৈরি পোশাকই শীর্ষে রয়েছে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, আগস্টে শীর্ষ পাঁচ পণ্যের মোট রপ্তানি আয় ছিল ৩৯৬ কোটি ৫৮ লাখ ডলার, যা এক বছর আগে ছিল ৩৪৮ কোটি ৭৬ লাখ ডলার। খাতসংশ্লিষ্টরা বলছেন, কোরবানির পর বাংলাদেশ থেকে চীনের বড় পরিমাণে চামড়া আমদানি এবং ভারত থেকে স্প্লিট, ক্রাস্ট ও ফিনিশড লেদারের চাহিদা বৃদ্ধিতে এ প্রবৃদ্ধি হয়েছে। ব্যাগ, ওয়ালেট ও গ্লাভসে বেশি প্রবৃদ্ধি হয়েছে; চামড়ার জুতা রপ্তানি বেড়েছে ২৪.৭ শতাংশ।
খাতসংশ্লিষ্টদের মতে, প্রবৃদ্ধি টেকসই করতে পরিবেশগত মানদণ্ড, বর্জ্য শোধনাগার অবকাঠামো এবং এলডব্লিউজি সনদ গুরুত্বপূর্ণ। সরকার ইটিপি অনুমোদনে উদ্যোক্তাদের উৎসাহিত করছে বলে জানানো হয়েছে। ২০২৫-২৬ অর্থবছরে বাংলাদেশি চামড়া ও চামড়াজাত পণ্যের সবচেয়ে বড় ক্রেতা ছিল যুক্তরাষ্ট্র; এরপর ভারত, চীন ও জাপান।