নবম শতাব্দীর পণ্ডিত আলকিন্দিকে কোড ব্রেকিং প্রযুক্তির জনক হিসেবে তুলে ধরা হয়েছে। তিনি প্রথমবারের মতো এনক্রিপ্ট করা বার্তা ভেঙে আসল তথ্য উদ্ধারের পদ্ধতিকে পদ্ধতিগত রূপ দেন। তাঁর রচিত ‘রিসালাহ ফি ইসতিখরাজিল মুআম্মা’ গ্রন্থে যে পদ্ধতির বর্ণনা রয়েছে, তা পরবর্তীতে ‘ফ্রিকোয়েন্সি অ্যানালাইসিস’ নামে পরিচিত হয় এবং আজও প্রাচীন ধাঁচের সাইফার ভাঙার মৌলিক কৌশল হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
প্রবন্ধে বলা হয়েছে, এনক্রিপশন হলো তথ্যকে অ্যালগরিদম ও গোপন কী ব্যবহার করে সাংকেতে রূপান্তর করার প্রক্রিয়া, যা যুদ্ধক্ষেত্রে নিরাপদ যোগাযোগের জন্য দীর্ঘদিন ধরে ব্যবহৃত হয়ে আসছে। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় জার্মানদের এনিগমা বার্তা ভাঙার ঘটনাও এর উদাহরণ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। তবে এই সাফল্যের ধারণাগত ভিত্তি আলকিন্দির কাজ থেকেই শুরু হয়েছিল।
আরবি ভাষার অক্ষর ব্যবহারের হার বিশ্লেষণ করে আলকিন্দি ফ্রিকোয়েন্সি অ্যানালাইসিস পদ্ধতির ভিত্তি নির্মাণ করেন। তাঁর এই আবিষ্কারই পরবর্তীতে ইউরোপীয় রেনেসাঁ যুগের ক্রিপ্টোগ্রাফি বিকাশের সূচনা করে।