টানা ভারি বৃষ্টিপাত ও পাহাড়ধসে কক্সবাজার জেলায় গত পাঁচ দিনে অন্তত ২৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। চকরিয়া, পেকুয়া ও মাতামুহুরীসহ জেলার বিস্তীর্ণ এলাকা এখনো পানির নিচে তলিয়ে আছে। পাঁচ লাখের বেশি মানুষ পানিবন্দি অবস্থায় রয়েছে। চকরিয়ার বরইতলী ইউনিয়নে আশ্রয়ে যাওয়ার পথে নৌকা ডুবে দুই বোনের মৃত্যু হয়েছে। জেলার প্রধান দুটি নদী বাঁকখালী ও মাতামুহুরী দ্বিতীয় দিনের মতো বিপদসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।
প্রশাসন জানিয়েছে, টানা বৃষ্টিতে ৩৫টি ইউনিয়নের শতাধিক গ্রাম প্লাবিত হয়েছে, বহু ঘরবাড়ি, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও সড়ক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। রোহিঙ্গা আশ্রয়শিবিরে পাঁচ দফা পাহাড়ধসে ১৫ জনের মৃত্যু হয়েছে, বাকিরা জেলার বিভিন্ন স্থানে মারা গেছেন। গত পাঁচ দিনে ৫৪৭ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় হয়েছে ৭১ মিলিমিটার।
জেলা প্রশাসন সতর্কতা জারি করে জানিয়েছে, কক্সবাজার সমুদ্রবন্দরে ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্ক সংকেত বহাল রয়েছে এবং ৬৪৮টি আশ্রয়কেন্দ্র প্রস্তুত রাখা হয়েছে। ঝুঁকিপূর্ণ এলাকার বাসিন্দাদের দ্রুত নিরাপদ স্থানে সরে যাওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।