জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের কর্মকর্তাদের নতুন গ্রেডেশন তালিকা ও গেজেট প্রকাশে ব্যাপক অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। ২৩ জুলাই প্রকাশিত বাংলাদেশ গেজেটের চূড়ান্ত তালিকায় কয়েকজন কর্মকর্তাকে জ্যেষ্ঠদের টপকে সামনে আনা হয়েছে বলে বঞ্চিত কর্মকর্তারা দাবি করেছেন। তাঁদের অভিযোগ, অন্তর্বর্তী সরকারের সময় প্রণীত আগের পরিমার্জিত তালিকা উপেক্ষা করে বিতর্কিত প্রক্রিয়ায় নতুন প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।
তালিকা বিশ্লেষণে দেখা যায়, খসড়া তালিকার ১১ নম্বরে থাকা সিনিয়র কমিটি অফিসার রাহাত আরা ইমাম চূড়ান্ত তালিকায় প্রথম হয়েছেন। অভিযোগ অনুযায়ী, ১১ জুনের এক প্রজ্ঞাপনে তাঁর ষষ্ঠ গ্রেডে যোগদানের তারিখ ২৯ মার্চ ২০২৩-এর বদলে দুই বছর আগে দেখানো হয়। নবম গ্রেডে তাঁর মূল যোগদানের তারিখও ২২ জুন ২০১৫ থেকে ২৪ ডিসেম্বর ২০১৩ দেখানো হয়েছে বলে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে। রাহাত আরা ইমাম বলেন, তালিকা মানবসম্পদ বিভাগ প্রণয়ন করেছে এবং অতীতে তিনি সময়মতো পদোন্নতি পাননি।
সাব্বির মাহমুদ, নীলুফার ইয়াসমিন, মো. আরিফ ও রায়হানা ইয়াসমিনসহ কয়েকজন জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তাকে পেছনে ঠেলে দেওয়া হয়েছে বলেও অভিযোগ রয়েছে। জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের বিধি শাখার অভিজ্ঞ কর্মকর্তাদের মতে, ফিডার পদে জ্যেষ্ঠতার অগ্রাধিকার পদোন্নতির তালিকাতেও থাকার কথা। সংসদ সচিব গোলাম সরওয়ার ভূঁইয়া নথি না দেখে মন্তব্য করেননি। টিআইবির ইফতেখারুজ্জামান বলেন, প্রকৃত জ্যেষ্ঠতার নীতি না মানলে তা প্রশাসনিক অনিয়ম; প্রভাব থাকলে জবাবদিহি নিশ্চিত করা উচিত।