ভারতের রাজনীতিতে বিরোধীদের পতনের মধ্য দিয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বাধীন ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি) প্রায় একদলীয় আধিপত্য প্রতিষ্ঠা করেছে। পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি ও তামিলনাড়ুর নেতা এম কে স্ট্যালিন সাম্প্রতিক নির্বাচনে পরাজিত হওয়ায় মোদির সামনে কার্যত কোনো শক্তিশালী প্রতিদ্বন্দ্বী নেই। স্বাধীনতার পর ভারতের প্রতিষ্ঠাতা দল কংগ্রেস এখন মাত্র চারটি রাজ্যে ক্ষমতায়, যেখানে মোদির জোট ২১টি রাজ্য নিয়ন্ত্রণ করছে।
বিজেপির উত্থান ঘটেছে সংগঠিত কাঠামো, ব্যবসাবান্ধব ভাবমূর্তি এবং হিন্দু ভোটারদের ঐক্যবদ্ধ করার কৌশলের মাধ্যমে। সমালোচকেরা অভিযোগ করেছেন, দলটি সরকারি ক্ষমতা ব্যবহার করে ভোটে কারচুপি করেছে এবং ভোটার তালিকা সংশোধনের মাধ্যমে সংখ্যালঘুদের ভোটাধিকার থেকে বঞ্চিত করেছে। বিহার ও পশ্চিমবঙ্গে লাখ লাখ নাম ভোটার তালিকা থেকে বাদ পড়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। তবে বিজেপি এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছে।
বিশ্লেষকদের মতে, মোদির নেতৃত্বে ভারতের বহুত্ববাদী গণতন্ত্র এখন ক্রমেই কেন্দ্রীভূত ও হিন্দু জাতীয়তাবাদী কাঠামোর দিকে এগোচ্ছে। ২০২৯ সালের জাতীয় নির্বাচনের আগে প্রশ্ন রয়ে গেছে, মোদি আবার প্রার্থী হবেন কি না বা তার উত্তরসূরি কে হবেন।