ভারতের পাঁচ রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচনের ফলাফল আবারও মুসলিম প্রতিনিধিত্বের সংকটকে সামনে এনেছে। মোট ৭২৩টি আসনের মধ্যে মাত্র ১০৪ জন মুসলিম বিধায়ক নির্বাচিত হয়েছেন, আর দেশের বৃহত্তম রাজনৈতিক দল বিজেপি কোনো মুসলিম প্রার্থীই দেয়নি বা নির্বাচিত হয়নি। বিশ্লেষকদের মতে, এটি মুসলমানদের রাজনৈতিকভাবে অপ্রাসঙ্গিক করে তোলার কৌশল, বিশেষ করে পশ্চিমবঙ্গ ও আসামে বিজেপি হিন্দু ভোট একত্র করতে সাম্প্রদায়িক প্রচারণা চালিয়েছে।
পশ্চিমবঙ্গে ৩৯ জন মুসলিম বিধায়ক নির্বাচিত হলেও ৩৪ জনই তৃণমূল কংগ্রেসের, বিজেপির কেউ নেই। আসামে সীমানা পুনর্নির্ধারণের পর মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ আসন ৩৫ থেকে কমে ২২-এ নেমে এসেছে, যা বিরোধীরা মুসলিম প্রভাব কমানোর প্রচেষ্টা বলে দাবি করছে। কেরালা ও তামিলনাড়ুতেও মুসলিম প্রতিনিধিত্ব সীমিত, আর পুদুচেরিতে একজনও মুসলিম বিধায়ক নেই।
‘দ্য ইন্ডিয়া ফোরাম’-এর বিশ্লেষণ অনুযায়ী, কেবল বিজেপি নয়, বিরোধী দলগুলোও মুসলিম প্রার্থী মনোনয়নে রক্ষণশীল হয়ে পড়ছে। বিশ্লেষকদের মতে, এই প্রবণতা ভারতের গণতন্ত্রে সংখ্যালঘুদের কণ্ঠস্বর আরও দুর্বল করে তুলছে।