অধিকৃত পশ্চিম তীরের দুটি গ্রাম ও একটি মসজিদে হামলার ঘটনায় ছয় ইসরাইলি অভিবাসীর বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ গঠন করেছে দেশটির কৌঁসুলিরা। পুলিশের তথ্যমতে, ১৪ জুন দেইর দিবওয়ান গ্রামে সন্ত্রাসবাদ, অগ্নিসংযোগ, নাশকতা ও সহিংস দাঙ্গার অভিযোগে তাদের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়। তদন্তে দেখা গেছে, মুখোশধারী অভিবাসীরা দাহ্য পদার্থ, টিয়ার শেল ও ছুরি নিয়ে গ্রামে প্রবেশ করে গাছপালা ও গাড়িতে আগুন দেয়, মসজিদে হামলা চালায় এবং বাসিন্দাদের ওপর আক্রমণ করে। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, মুসল্লিরা ভেতরে থাকা অবস্থায় মসজিদে আগুন ধরানো হয়।
দ্য টাইমস অব ইসরাইল জানিয়েছে, অভিযুক্তদের মধ্যে পাঁচজন অপ্রাপ্তবয়স্ক এবং একজনের বয়স ১৮ বছর। জেরুসালেম জেলা আদালতে তাদের বিরুদ্ধে বর্ণবাদী উদ্দেশ্যপ্রণোদিত হামলা, দাঙ্গা, সন্ত্রাসী পরিস্থিতিতে অগ্নিসংযোগ ও সম্পত্তি ক্ষতির অভিযোগ আনা হয়েছে। জাতিসংঘ জানিয়েছে, ২০২৬ সালে পশ্চিম তীরে সেটলার হামলার সংখ্যা দৈনিক গড়ে ছয়টিতে পৌঁছেছে। অভিযোগ গঠনের পরও পশ্চিম তীরে নতুন হামলার ঘটনা ঘটেছে।
অস্ট্রেলিয়া, কানাডা, ফ্রান্স, নরওয়ে, নিউজিল্যান্ড ও যুক্তরাজ্যসহ পশ্চিমা দেশগুলো সেটলার সহিংসতায় অর্থায়ন ও উসকানিদাতাদের ওপর নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে। ইসরাইলি কর্মকর্তারা এই নিষেধাজ্ঞাকে তুচ্ছ ও প্রতীকী বলে মন্তব্য করেছেন।