জুলাই বিপ্লবের দুই বছর পরও জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্র-জনতার আন্দোলনবিরোধী অবস্থান ও গণহত্যায় সমর্থনের অভিযোগে আওয়ামীপন্থি শিক্ষকদের বিচার হয়নি বলে প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে। ১৫ আগস্ট ২০২৬ প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়, এসব শিক্ষক এখনো ধরাছোঁয়ার বাইরে এবং নিয়োগ, প্রশাসনিক সুবিধা ও বিভিন্ন অনিয়ম নিয়ে তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়টিতে প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে সাত শতাধিক শিক্ষক নিয়োগের কথাও প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
প্রতিবেদনে সাবেক উপাচার্য মীজানুর রহমানের আট বছরে চার শতাধিক শিক্ষক নিয়োগ এবং পরবর্তী প্রশাসনগুলোর সময় দলীয় প্রভাবের অভিযোগ তোলা হয়েছে। নীল দলের বিভিন্ন কমিটির নেতা ও সদস্যদের বিরুদ্ধে আন্দোলনবিরোধী কার্যক্রম, আর্থিক অনিয়ম, ক্ষমতার অপব্যবহার এবং প্রশাসনিক সুবিধা নেওয়ার নানা অভিযোগ বর্ণিত হয়েছে। কয়েকজন অভিযুক্ত শিক্ষক অভিযোগ অস্বীকার করে নিয়ম মেনে দায়িত্ব পালন ও পদোন্নতি পাওয়ার দাবি করেছেন।
জবি উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. রইছ উদ্দীন বলেছেন, জুলাই গণহত্যায় জড়িত যে কারও বিচার হবে এবং দলীয় পরিচয় বিবেচ্য নয়। তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী, ৫ আগস্টের পর গঠিত তদন্ত কমিটির শিক্ষকরা সহকর্মীদের বিরুদ্ধে যেতে অনিচ্ছুক হওয়ায় নতুন একটি বিচার বিভাগীয় কমিশন নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। তিনি শিগগিরই কমিশনের প্রতিবেদন পাওয়ার আশা প্রকাশ করেন।