প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বুধবার বেলা ১১টায় রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘরের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন। উদ্বোধন-পরবর্তী আলোচনা সভায় তিনি বলেন, ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থান কোনো ব্যক্তি, গোষ্ঠী বা দলের একক বিষয় নয়; এর মহানায়ক দেশের গণতন্ত্রকামী জনগণ। জাদুঘরটি কোনো একক রাজনৈতিক ভাষ্য প্রতিষ্ঠার স্থান হবে না বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
তারেক রহমান বলেন, ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ ছিল স্বাধীনতা অর্জনের জন্য, আর ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থান ছিল দেশ ও জনগণের স্বাধীনতা রক্ষার জন্য। তিনি ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনে নিহতদের শ্রদ্ধা ও আহতদের পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানান। তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, শুধু জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থানে হাজারো ছাত্র-জনতা, নারী ও শিশু নিহত হন এবং কমপক্ষে ৩০ হাজার মানুষ আহত হন।
প্রধানমন্ত্রী জাদুঘরে শহীদদের পরিচয় ও জীবনকথা, আহতদের সাক্ষ্য, প্রত্যক্ষ অভিজ্ঞতা, ছবি, ভিডিও, সংবাদ প্রতিবেদন, পোস্টার ও ডিজিটাল উপাদান সংরক্ষণের আহ্বান জানান। তিনি তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত এবং বাংলা, ইংরেজিসহ অন্যান্য ভাষায় তা উপস্থাপনের কথা বলেন। তিনি জানান, ৫০ জন জুলাই যোদ্ধা বিদেশে চিকিৎসাধীন এবং ১৩ হাজারের বেশি গেজেটভুক্ত জুলাইযোদ্ধা মাসিক সম্মানী ভাতা পাচ্ছেন।