ঢাকার কেরানীগঞ্জে টানা সাত দিন গ্যাস না থাকায় বাসাবাড়ির চুলা জ্বলছে না এবং শিল্পপ্রতিষ্ঠান ও কলকারখানা বন্ধ হয়ে গেছে। গ্যাস সংকট দীর্ঘদিনের হলেও গত এক সপ্তাহে সরবরাহ পুরোপুরি বন্ধ বলে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে। এতে মানুষ বিদ্যুৎ ও এলপিজি সিলিন্ডারের ওপর বেশি নির্ভরশীল হয়ে পড়েছে, আর বিভিন্ন এলাকায় সিলিন্ডারের সংকটও দেখা দিয়েছে। বৃহস্পতিবার জিনজিরার তিতাস গ্যাস জোন-৫ কার্যালয়ে প্রতিদিনের মতো বহু মানুষ সেবার দাবিতে ভিড় করেন।
এলাকাবাসীর ভাষ্য অনুযায়ী, কেরানীগঞ্জে বৈধ তিতাস গ্রাহকের চেয়ে অবৈধ গ্রাহক বেশি। ২০১৬ সালে বৈধ গ্যাস সংযোগ বন্ধ হওয়ার পর মিল-ফ্যাক্টরি, ওয়াশিং প্ল্যান্ট ও বহুতল ভবনে অবৈধ সংযোগ দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গ্যাস না পাওয়ায় তিতাসের ৫,৬৭৩টি শিল্প গ্রাহকের কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে। জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের এক স্থানীয় নেত্রী বলেন, নয়টি ইউনিয়নের মানুষ বিদ্যুতের চুলা, এলপিজি, লাকড়ি ও রেস্টুরেন্টের খাবারের ওপর নির্ভর করছেন এবং তিনি সরকারের ব্যর্থতাকে দায়ী করেন।
১২ কেজির বেসরকারি এলপিজি সিলিন্ডারের নির্ধারিত দাম ১,৫৯৮ টাকা হলেও কয়েকটি দোকানে তা ১,৮০০ থেকে ২,০০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। তিতাসের জিনজিরা কার্যালয়ের ব্যবস্থাপক প্রকৌশলী বিধান চন্দ্র মৈত্র জানান, কেরানীগঞ্জ লাইনের চাপ এখন ২-এ নেমে যাওয়ায় কেউ গ্যাস পাচ্ছেন না এবং বড় কারখানাগুলো বন্ধ রয়েছে। তিনি অবৈধ লাইন, পাইপ ও রেগুলেটর সমস্যা, লিক, পানি ঢোকা এবং নিম্নচাপের কথাও উল্লেখ করেন।