বাংলাদেশের বিভিন্ন অঞ্চলে চলমান সার সংকটে আমন মৌসুমের চাষাবাদ ব্যাহত হচ্ছে বলে কৃষকদের অভিযোগ। টিএসপি ও ডিএপি সার পেতে লাইনে দাঁড়িয়েও ব্যর্থ হওয়ার কথা জানিয়ে তারা আশঙ্কা করছেন, উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রার নিচে নেমে যেতে পারে। পরিস্থিতি সামাল দিতে কৃষি মন্ত্রণালয় জেলা প্রশাসকদের তদারকি জোরদারের নির্দেশ দিয়েছে এবং উচ্চপর্যায়ের একটি মনিটরিং কমিটি গঠন করেছে।
কুড়িগ্রামের কৃষকেরা সরকারি দামের চেয়ে বেশি অর্থ দিয়েও প্রয়োজনমতো নন-ইউরিয়া সার না পাওয়ার অভিযোগ করেছেন। ডিলারদের ভাষ্য, মাসের শুরুতে পাওয়া সরকারি সরবরাহ প্রায় ১৫ দিন চাহিদা মেটাতে পারে, পরে সংকট দেখা দেয়। তবে মন্ত্রণালয়সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা ও কৃষি কর্মকর্তারা বলছেন, মজুত পর্যাপ্ত; কৃত্রিম সংকট, আতঙ্কে আগাম কেনা, অতিরিক্ত মজুত, ভুল ব্যবহার এবং সার হাতবদলের কারণে চাপ তৈরি হয়েছে।
পঞ্চগড় বাদে উত্তরাঞ্চলের ১৫ জেলায় চাহিদাপত্র দিয়ে সার না তোলা ডিলারদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে মন্ত্রণালয় নির্দেশ দিয়েছে। দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগে তিন উপপরিচালককে প্রত্যাহার করা হয়েছে এবং নতুন কমিটিকে সাপ্তাহিক প্রতিবেদন দিতে বলা হয়েছে। বিএফএ নির্ধারিত মূল্যে বিক্রি নিশ্চিত করার আহ্বান জানিয়েছে। কৃষি সচিব এক সপ্তাহের মধ্যে পরিস্থিতির উন্নতির আশা প্রকাশ করেছেন।