ইমরান হোসাইন নাঈমের লেখা একটি প্রবন্ধে ২০২৬ সালের ১১ মে প্রকাশিত হয়েছে, যেখানে তিনি দেখিয়েছেন কীভাবে পশ্চিমা গবেষণা ইবনে খালদুনের চিন্তাকে সীমিতভাবে উপস্থাপন করেছে। লেখকের মতে, অধিকাংশ পাঠক ইবনে খালদুনকে তার মূল আরবি ভাষায় নয়, বরং ইউরোপীয় ব্যাখ্যার মাধ্যমে জানেন। এতে প্রকৃত ইবনে খালদুন ও নির্মিত ইবনে খালদুনের মধ্যে একটি ব্যবধান তৈরি হয়েছে। এই সংকটের মূল কারণ হিসেবে তিনি উল্লেখ করেছেন আরবি ভাষায় অজ্ঞতা, ইউরোসেন্ট্রিজম এবং আধুনিকতা ও ধর্মের দ্বন্দ্ব।
প্রবন্ধে বলা হয়েছে, ইবনে খালদুনের জন্ম মুসলিম বিশ্বে হলেও তার জ্ঞানচর্চা ও সংরক্ষণ হয়েছে পশ্চিমে। প্রাচ্যবিদরা নিজেদের স্বার্থে তাকে গবেষণার বিষয় বানিয়েছেন এবং তার চিন্তাকে পশ্চিমা তাত্ত্বিক কাঠামোর মধ্যে বন্দি করেছেন। লেখক দেখিয়েছেন, ইউরোপীয় সমাজবিজ্ঞানকে বিশ্বজনীন হিসেবে গ্রহণ করা হলেও অ-পাশ্চাত্য চিন্তাবিদদের তত্ত্বকে প্রায়ই উপেক্ষা করা হয়েছে।
শেষাংশে লেখক বলেন, ইবনে খালদুনের ধর্মীয় পরিচয় পশ্চিমা চিন্তকদের অস্বস্তির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে, যা ধর্ম ও বিজ্ঞানের সহাবস্থান নিয়ে ইউরোপের দ্বিধাকে স্পষ্ট করে।