বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন ডিএসইর আর্থিক অব্যবস্থাপনা, করপোরেট সুশাসনের ঘাটতি, নিয়োগে অনিয়ম, স্বার্থের সংঘাত এবং কর্মকর্তাদের চাকরিচ্যুতির অভিযোগ খতিয়ে দেখতে দুটি পৃথক তদন্ত কমিটি গঠন করেছে। দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে এটি প্রথম বড় ধরনের তদন্ত বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। কমিটির সদস্যরা সংশ্লিষ্ট বিভাগের কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করেছেন এবং ব্যবস্থাপনা পরিচালক নুজহাত আনোয়ারের কাছে ২৩ আগস্ট ২০২৬-এর মধ্যে তথ্য চেয়েছেন।
অভিযোগগুলোর মধ্যে রয়েছে অবৈধ নিয়োগ ও পদোন্নতি, ইনসাইডার ট্রেডিং, মূল্যসংবেদনশীল তথ্য গোপন করে শেয়ার ব্যবসা, বিনিয়োগকারীদের গোপন পোর্টফোলিও তথ্য পাচার, যৌন হয়রানি এবং ২৮ কর্মকর্তাকে নিয়মবহির্ভূতভাবে চাকরিচ্যুত করা। সাবেক চেয়ারম্যান আহমেদ ইকবাল হাসান বলেন, ডিএসইতে সুশাসনের ন্যূনতম বালাই নেই এবং একটি শক্তিশালী সিন্ডিকেট প্রতিষ্ঠানটি নিয়ন্ত্রণ করছে। তিনি তদন্ত উদ্যোগকে শেয়ারবাজারের জন্য ইতিবাচক বলেছেন।
১০ আগস্ট গঠিত তিন সদস্যের কমিটি ২০২৩ থেকে ২০২৫ অর্থবছরের নিরীক্ষিত আর্থিক বিবরণী, ব্যবস্থাপনা চিঠি এবং অভ্যন্তরীণ ও বহিঃনিরীক্ষা প্রতিবেদন চেয়েছে। জানুয়ারি ২০২০ থেকে বোর্ড সভার কার্যবিবরণী, জানুয়ারি ২০২৪ থেকে নিয়োগসংক্রান্ত নথি এবং বিভিন্ন কমিটির নথিও চাওয়া হয়েছে। অনুসন্ধান শেষ না হওয়া পর্যন্ত সংশ্লিষ্ট নথি ও ই-মেইল সংরক্ষণ এবং পরিবর্তন বা মুছে না ফেলার নির্দেশ দিয়েছে বিএসইসি।