কুমিল্লার লাকসাম উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরাজীর্ণ ও ঝুঁকিপূর্ণ ভবনে চলছে স্বাস্থ্যসেবা কার্যক্রম। ভবনের দেয়ালে ফাটল, ছাদ থেকে পলেস্তারা খসে পড়া এবং ধসের আশঙ্কা থাকা সত্ত্বেও চিকিৎসক ও কর্মীরা প্রতিদিন প্রায় এক থেকে দেড় হাজার রোগীকে সেবা দিচ্ছেন। হাসপাতালের পরিত্যক্ত আবাসিক কোয়ার্টারগুলোতে মাদকসেবী ও অপরাধীদের আখড়া গড়ে উঠেছে, যা নিরাপত্তা পরিস্থিতি আরও নাজুক করেছে।
১৯৬৫ সালে নির্মিত এই স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সটি ২০ শয্যা থেকে ৫০ শয্যায় উন্নীত হলেও নতুন আবাসন বা সংস্কার করা হয়নি। বর্তমানে ১০০ শয্যায় উন্নীত করার কাজ শুরু হলেও ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান কাজ অসমাপ্ত রেখে চলে গেছে। হাসপাতালের ৪০ শতক জমি প্রভাবশালী মহল দখল করে রেখেছে এবং এক কর্মচারীর বিরুদ্ধে উৎকোচ গ্রহণের অভিযোগ উঠেছে।
রোগী ও কর্মীরা জানান, ভবনের যেকোনো অংশ ধসে পড়ার ভয়ে তারা প্রতিনিয়ত আতঙ্কে থাকেন। টয়লেট ও ডেলিভারি কক্ষের দরজা-জানালা ভেঙে পড়েছে, ফলে সেবার মান মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে।