ভোলার চরফ্যাশন উপজেলার শশীভূষণ থানার রসুলপুর ইউনিয়নে আ. জলিল পণ্ডিতের মৃত্যুর পর তার পাঁচ স্ত্রীর সন্তানদের মধ্যে দাফনের স্থান ও সম্পত্তি নিয়ে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। একাধিক দফায় সংঘর্ষের পর পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ পাহারায় লাশ দাফন করা হয়। বুধবার রাতে রসুলপুর ইউনিয়নের ৩নং ওয়ার্ডে এই ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রাত তিনটার দিকে জলিল পণ্ডিত মারা গেলে পূর্বের চার স্ত্রীর সন্তানরা ওয়ারিশ দাবি করেন। ছোট স্ত্রীর মেয়ে খাদিজা আক্তার স্মৃতি দাবি করেন, তার বাবার কোনো সম্পত্তি নেই। এ সময় স্মৃতির প্রাক্তন ভগ্নিপতি খোকন অভিযোগ করেন, তার উপার্জিত অর্থ ও স্বর্ণালঙ্কার জলিল ও স্মৃতির কাছে ছিল এবং তা ফেরত না দিলে দাফন করতে দেবেন না। স্থানীয়রা তাকে শান্ত করলেও দাফনের সময় পুনরায় সংঘর্ষ হয়।
শেষ পর্যন্ত পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং বসত ঘরের সামনেই লাশ দাফন সম্পন্ন করে। থানার ওসি জানান, এখনো কোনো লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি, অভিযোগ পেলে তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।