মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আহমেদ আযম খান বলেছেন, মুক্তিযুদ্ধের সঠিক ইতিহাস সংরক্ষণ এবং শহীদ, বীর মুক্তিযোদ্ধা ও বীরাঙ্গনাদের প্রকৃত ও নির্ভুল তালিকা তৈরিতে তাঁর মন্ত্রণালয় নির্মোহভাবে কাজ করছে। বুধবার মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে এ বিষয়ে আয়োজিত মতবিনিময় সভা শেষে সংক্ষিপ্ত প্রেস ব্রিফিংয়ে তিনি এ কথা বলেন। তাঁর ভাষ্য, জাতীয় ইতিহাসে কোনো মিথ্যা, অসঙ্গতি বা কলঙ্ক থাকা উচিত নয়।
মন্ত্রী বলেন, প্রকৃত কোনো মুক্তিযোদ্ধা যেন বাদ না পড়েন এবং কোনো অমুক্তিযোদ্ধা বা ভুয়া ব্যক্তি যেন তালিকায় অন্তর্ভুক্ত না হন, তা নিশ্চিত করতে বিদ্যমান আবেদনগুলো যথাযথভাবে যাচাই-বাছাই করা হবে। প্রায় দুই লাখ তিন হাজার মুক্তিযোদ্ধার তালিকাও পর্যালোচনা করা হচ্ছে। তথ্য, প্রমাণ ও নিরপেক্ষ যাচাইকে প্রাধান্য দিয়ে প্রয়োজনে তদন্ত ও সাক্ষাৎকারের মাধ্যমে প্রকৃত তথ্য উদ্ঘাটন করা হবে বলে তিনি জানান।
আহমেদ আযম খান বলেন, ৭ অক্টোবর ২০২৬-এর পর নতুন করে মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে তালিকাভুক্তির আবেদন নেওয়া হবে না; তবে আগে জমা পড়া আবেদন পরীক্ষা করা হবে। মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস ও সংশ্লিষ্ট তালিকা নিয়ে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য কোনো বিতর্ক রেখে যেতে চায় না সরকার। সভায় শহীদ, বীর মুক্তিযোদ্ধা ও বীরাঙ্গনাদের তালিকা নির্ভুল ও গ্রহণযোগ্য করার বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা হয়।