যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল আবার হামলা চালালে তার পরিণতি শুধু ইরানের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকবে না বলে সতর্ক করেছে তেহরান। ইরানি কর্মকর্তারা বলেছেন, আক্রান্ত হলে দেশটি কথিত ‘প্রলয়ংকরী যুদ্ধে’ চূড়ান্ত বিজয় অর্জনের চেষ্টা করবে এবং পারস্য উপসাগরে মার্কিন যুদ্ধজাহাজ প্রবেশ করতে দেবে না। ওয়াশিংটন নতুন করে বিমান হামলার কথা বিবেচনা করছে—এমন প্রতিবেদনের মধ্যে এসব বক্তব্য এসেছে।
আইআরজিসির মুখপাত্র ব্রিগেডিয়ার জেনারেল হোসেইন মোহেব্বি বলেন, ইরানের ভৌগোলিক অখণ্ডতা এবং জাতীয় ও ধর্মীয় পরিচয় রক্ষা ইরানি জাতির গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব। তাঁর মতে, সম্ভাব্য যুদ্ধের ফল শুধু ইরানের নয়, অঞ্চলের অন্য দেশগুলোর ভাগ্যও নির্ধারণ করবে। সশস্ত্র বাহিনীর চিফ অব জেনারেল স্টাফ মেজর জেনারেল আলী আবদোল্লাহি বলেন, মার্কিন নৌবাহিনীর পারস্য উপসাগরের জলসীমার কাছে যাওয়ার সক্ষমতা আর নেই।
ইরানি কর্মকর্তারা সতর্ক করেছেন, পাল্টা হামলায় উপসাগরীয় দেশগুলোতে থাকা মার্কিন ঘাঁটি ও জ্বালানি স্থাপনাও লক্ষ্যবস্তু হতে পারে। নিরাপত্তা পরিষদের মহাসচিব মোহসেন রেজায়ি সমুদ্রতলের ফাইবার অপটিক কেবল লক্ষ্যবস্তু হওয়ার আশঙ্কার কথাও বলেছেন। তুরস্কে মার্কিন রাষ্ট্রদূত টম ব্যারাক বলেন, চলতি সপ্তাহান্তে ইরানে হামলার সম্ভাবনা উড়িয়ে দেওয়া যায় না।