আমার দেশ-এ ৫ আগস্ট ২০২৬ প্রকাশিত এক ব্যক্তিগত বর্ণনায় লেখক সিবগাতুল্লাহ ২০২৪ সালের জুলাই আন্দোলনের সময় ঢাকাজুড়ে বিক্ষোভকে গণভবনমুখী করার পরিকল্পনার কথা তুলে ধরেছেন। তিনি দাবি করেন, ২১ জুলাইয়ের পর ঢাকার বিভিন্ন সংঘর্ষস্থল ও মিছিলের রুট মানচিত্রে মিলিয়ে দেখার পর আন্দোলনের জন্য একটি নির্দিষ্ট গন্তব্য প্রয়োজন বলে সিদ্ধান্তে পৌঁছান। তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী, সেই গন্তব্য ছিল গণভবন।
লেখক আন্দোলনকে দীর্ঘ ১৭ বছরের অবিচার ও নিপীড়নের বিরুদ্ধে সম্মিলিত প্রতিরোধ হিসেবে বর্ণনা করেছেন। তিনি ১৪ জুলাই রাতে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের ‘রাজাকার’ তকমা দেওয়া, ১৫ জুলাই পুলিশ ও ছাত্রলীগের হামলা এবং ১৭ জুলাই ক্যাম্পাসে টিয়ারশেল ও সাউন্ড-গ্রেনেড ব্যবহারের অভিযোগ উল্লেখ করেন। তাঁর বর্ণনায়, ১৮ থেকে ২১ জুলাইয়ের মধ্যে বহু মানুষ নিহত ও আহত হওয়ার খবর আন্দোলনের কৌশল বদলানোর তাগিদ তৈরি করে।
তিনি বলেন, কোর টিমের মধ্যে গণভবনকে কেন্দ্র করে একটি মানচিত্র ও পরিকল্পনা নিয়ে কাজ করা হয়। ৩ আগস্ট শহীদ মিনার থেকে ‘এক দফা’ ঘোষণার পর পরিকল্পনা বাস্তবায়নের সুযোগ আসে বলে তিনি উল্লেখ করেন। তাঁর দাবি, ৪ ও ৫ আগস্ট ঘোষিত কর্মসূচির লক্ষ্য ছিল গণভবন ঘেরাও; ৫ আগস্ট সকালে লাখো মানুষ ব্যারিকেড ভেঙে সেখানে মার্চ করে।