রোববার ইসলামাবাদে মিসর, পাকিস্তান, সৌদি আরব ও তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা বৈঠকে বসেন আমেরিকা ও ইরানের চলমান সংঘাত বন্ধের লক্ষ্যে। এই বৈঠককে একদিকে যুদ্ধবিরতির সম্ভাব্য অগ্রগতি হিসেবে দেখা হচ্ছে, অন্যদিকে মধ্যপ্রাচ্যে ইরান ও ইসরাইলের প্রভাব সীমিত করার প্রাথমিক পদক্ষেপ হিসেবেও বিবেচনা করা হচ্ছে। বৈঠকে পাকিস্তান ও ইরানের মধ্যে একটি চুক্তি হয়, যার মাধ্যমে পাকিস্তানের পতাকাবাহী জাহাজগুলোকে হরমুজ প্রণালি দিয়ে চলাচলের অনুমতি দেওয়া হয়, যা ইসলামাবাদের আত্মবিশ্বাস বাড়িয়েছে।
উপসাগরীয় বিষয়ক বিশেষজ্ঞ ইয়াসমিন ফারুক বলেন, চার দেশের এই দল যুদ্ধবিরতিতে আরও সক্রিয় ভূমিকা পালন করবে, কারণ যুদ্ধ ইতোমধ্যে বিপজ্জনক পর্যায়ে পৌঁছেছে। তিনি সতর্ক করেন, ইসরাইলের হামলা ও সম্ভাব্য সেনা মোতায়েন পরিস্থিতিকে আরও অস্থিতিশীল করতে পারে। তুরস্ক এই জোটের সবচেয়ে সক্রিয় সদস্য হিসেবে উঠে এসেছে, যার গোয়েন্দা প্রধান ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী উভয়েই সতর্ক করেছেন যে সংঘাতটি দীর্ঘমেয়াদে আঞ্চলিক ও সাম্প্রদায়িক অস্থিরতা সৃষ্টি করতে পারে।
বিশ্লেষকদের মতে, সৌদি আরবের অংশগ্রহণ তাদের পূর্বের অবস্থান থেকে পরিবর্তনের ইঙ্গিত দেয়, যা বিকল্প কূটনৈতিক পথ খোলা রাখার ইচ্ছা প্রকাশ করে।