পশ্চিমবঙ্গের দক্ষিণ ২৪ পরগনার বারুইপুরে মুসলিম কন্যাশিশুকে ধর্ষণ ও খুনের মামলার মূল অভিযুক্ত প্রভাস মণ্ডল পুলিশের এনকাউন্টারে নিহত হয়েছে। পুলিশের দাবি, মঙ্গলবার রাতে সূর্যপুর এলাকায় নিয়ে গেলে প্রভাস বন্দুক ছিনিয়ে পালানোর চেষ্টা করে এবং গুলি চালায়, এরপর পাল্টা গুলিতে তার মৃত্যু হয়। এই ঘটনাকে ঘিরে রাজ্যে ‘যোগী মডেল’ এনকাউন্টারের অভিযোগ উঠেছে, যা উত্তর প্রদেশের ধাঁচে বিচার প্রক্রিয়ার আগেই অভিযুক্তকে সরিয়ে দেওয়ার ইঙ্গিত দেয়।
জেরার সময় প্রভাস বিজেপি নেতা রাজা নামের এক ব্যক্তির নাম উল্লেখ করেছিল বলে জানা গেছে, তবে পুলিশ এখনো তাকে গ্রেপ্তার করেনি। এতে তদন্তের নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। এদিকে পুলিশ আনন্দ সর্দার, দিবাকর সর্দার ও কবীর মোল্লা নামে আরও তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে, ফলে মোট গ্রেপ্তার চারজন।
মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী বারুইপুরে গিয়ে জানান, প্রশাসন ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি নিয়েছে। বিক্ষোভের সময় পুলিশের ওপর হামলাকারীদের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে, ইতিমধ্যে ২০০ জনকে শনাক্ত ও ২০ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।