অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে জারি করা ‘গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার অধ্যাদেশ’ বাতিলের সুপারিশে জাতীয় সংসদে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন ঢাকা-১৪ আসনের সংসদ সদস্য মীর আহমাদ বিন কাসেম। পয়েন্ট অব অর্ডারে বক্তব্যে তিনি বলেন, গুমের শিকার ভুক্তভোগী ও নির্যাতিতরা কখনোই এমন প্রস্তাব সমর্থন করতে পারেন না। তিনি অনুরোধ জানান, আইনটি আগে অনুমোদন দিয়ে আইনে পরিণত করা হোক, পরে প্রয়োজন হলে সংশোধন করা যেতে পারে। অন্যথায় গুমের সংজ্ঞা বিলুপ্ত হয়ে যাবে বলে তিনি সতর্ক করেন।
আইনমন্ত্রী আসাদুজ্জামান সংসদে জানান, বিলটি আরও যুগোপযোগী করে চলতি অধিবেশন বা পরবর্তী অধিবেশনে উত্থাপন করা হবে। তিনি বলেন, গুমের সংজ্ঞা ইতিমধ্যে আইসিটি আইনে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে, যেখানে সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ড। অপরদিকে, গুম প্রতিরোধ আইনে সর্বোচ্চ শাস্তি ১০ বছর। মানবাধিকার কমিশন অধ্যাদেশও পর্যালোচনা করা হবে যাতে তদন্তের নামে হয়রানি না হয় এবং ন্যায়বিচার নিশ্চিত হয়।
মন্ত্রী আরও জানান, যাচাই-বাছাই প্রক্রিয়ায় ব্যারিস্টার আরমানসহ গুমের শিকার ভুক্তভোগীদের অন্তর্ভুক্ত করা হবে যাতে কেউ আইনের ফাঁক গলে পার না পায়।