যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান উভয়েই দীর্ঘস্থায়ী সংঘাতের প্রস্তুতির কথা বলছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, যা মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতির উদ্দেশ্য ও কৌশল নিয়ে নতুন প্রশ্ন তুলেছে। ২৮ জুলাই ২০২৬ প্রকাশিত বিশ্লেষণে বলা হয়, সংঘাতের শুরুতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দ্রুত লড়াই বন্ধ, হরমুজ প্রণালি সচল রাখা এবং বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে বড় বিঘ্ন এড়াতে চেয়েছিলেন বলে মনে হয়েছিল। এখন দুই পক্ষের পরিবর্তিত বক্তব্যে দীর্ঘমেয়াদি সংঘাতের আশঙ্কা জোরালো হয়েছে।
প্রতিবেদনটি সম্ভাবনা হিসেবে বলেছে, ইরানের সামরিক সক্ষমতা, বিশাল ভূখণ্ড, পার্বত্য এলাকা, জনসংখ্যা ও নিষেধাজ্ঞার মধ্যে গড়া প্রতিরক্ষা কাঠামোর কারণে দ্রুত সামরিক ফল পাওয়া কঠিন হতে পারে। ইরাক ও আফগানিস্তানের অভিজ্ঞতার প্রেক্ষাপটে যুক্তরাষ্ট্র বড় স্থল অভিযানের বদলে দীর্ঘ সময় অর্থনৈতিক, রাজনৈতিক ও সামরিক চাপের কৌশল নিতে পারে বলেও এতে ধারণা করা হয়েছে।
হরমুজ প্রণালির দীর্ঘস্থায়ী ঝুঁকি, আন্তর্জাতিক তত্ত্বাবধানে নিরাপত্তা বলয় এবং সম্ভাব্য বহুমাত্রিক জোটের প্রশ্নও বিশ্লেষণে উঠে এসেছে। তুরস্ক নতুন যুদ্ধক্ষেত্র খোলার বিরোধিতা করে কূটনৈতিক আলোচনা ও জ্বালানি নিরাপত্তার ওপর জোর দিয়েছে। প্রতিবেদনের মতে, টেকসই সমাধানে সব পক্ষের যৌক্তিক নিরাপত্তা উদ্বেগ বিবেচনায় নেওয়া দরকার।