Web Analytics
২০২১ সালের অভ্যুত্থানের পর দীর্ঘদিনের বিচ্ছিন্নতার নীতি থেকে সরে আসার ইঙ্গিত দিয়ে মিয়ানমারের সামরিক কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ বাড়াচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র। মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের গোয়েন্দা ও গবেষণাবিষয়ক সহকারী সচিব মাইকেল ভ্যান্স ১৫ ও ১৬ সেপ্টেম্বর নেপিদোতে সামরিক নেতা মিন অং হ্লাইংয়ের সঙ্গে বৈঠক করেন। ইয়াঙ্গুনের আমেরিকান চেম্বার অব কমার্সের সঙ্গে বিরোধের জেরে জুনে আটক মার্কিন নাগরিক অ্যাডাম কাস্তিয়োর মুক্তিই ছিল বৈঠকের ঘোষিত উদ্দেশ্য।

বাইডেন প্রশাসনের সময় নিষেধাজ্ঞার তালিকায় থাকা মিয়ানমার-সংশ্লিষ্ট কয়েকজনের ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করা হয়েছে, যদিও মিন অং হ্লাইংয়ের ওপর নিষেধাজ্ঞা বহাল আছে। পর্যবেক্ষকদের মতে, বিরল মৃত্তিকা খনিজে প্রবেশাধিকারসহ অর্থনৈতিক ও কৌশলগত স্বার্থ ওয়াশিংটনের আগ্রহের কারণ হতে পারে। চীন রপ্তানি সীমিত করার পর বিকল্প উৎস খুঁজছে ট্রাম্প প্রশাসন। তবে মিয়ানমারের বড় মজুতের বহু অংশ সংঘাতকবলিত এলাকায় এবং সেখানে চীনা কোম্পানির দীর্ঘদিনের কার্যক্রম রয়েছে।

সম্পর্ক উন্নয়নে মিয়ানমারের সামরিক সরকার ডিসিআইয়ের সঙ্গে ৩০ লাখ ডলারের লবিং চুক্তি করেছে এবং রজার স্টোনকে মাসে ৫০ হাজার ডলারে নিয়োগ দিয়েছে। বিশ্লেষকেরা বলছেন, পরিবর্তন এখনো সীমিত। মানবাধিকার, কমে যাওয়া সহায়তা, বিতর্কিত নির্বাচন, সংঘাত এবং যুক্তরাষ্ট্রে অস্থায়ী সুরক্ষার মর্যাদা হারাতে বসা মিয়ানমার নাগরিকদের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ রয়ে গেছে।

Card image

Related Videos

logo
No data found yet!

সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।