রাজধানীর গুলশান, বনানী, বারিধারা, নিকেতন ও ধানমণ্ডি লেকের দূষণ রোধ এবং পরিবেশগত উন্নয়নে সমন্বিত কার্যক্রম জোরদারে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ১০টি নির্দেশনা দিয়েছেন। বৃহস্পতিবার দুপুরে সচিবালয়ের মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সভাকক্ষে প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে এসব নির্দেশনা দেওয়া হয়। পয়ঃবর্জ্য প্রবেশ বন্ধ, নিয়মিত বর্জ্য অপসারণ এবং স্যুয়ারেজ ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্ট স্থাপনে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।
বৈঠকে গুলশান, বনানী, বারিধারা ও নিকেতনের লেকগুলোর বর্তমান অবস্থা, দূষণের উৎস এবং সংস্কার পরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা হয়। ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের উদ্যোগে ধানমণ্ডি লেক সংস্কার, স্লাজ অপসারণ ও পাইলট প্রকল্পের অগ্রগতিও পর্যালোচনা করা হয়। গুলশান লেকে দূষিত পানি ও পয়ঃবর্জ্য প্রবেশের ছয়টি প্রাইমারি ও ছয়টি সেকেন্ডারি পয়েন্ট চিহ্নিত হয়েছে।
ভাসমান বর্জ্য অপসারণে যান্ত্রিক নৌকার সংখ্যা দুটি থেকে বাড়িয়ে ১০টি করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ভাসমান এক্সক্যাভেটর দিয়ে স্লাজ অপসারণ, ভবনভিত্তিক এসটিপি স্থাপন, অবৈধ সংযোগ শনাক্ত এবং এরেটর বসানোর প্রস্তাবও আলোচনায় আসে। রাজউক নিয়ন্ত্রিত লেকগুলোর রক্ষণাবেক্ষণে ৪২ জনবল নিয়ে পাঁচটি বিশেষ দল ইতোমধ্যে নিয়োজিত রয়েছে।